ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ২১ মিনিট ১২ সেকেন্ড

ঢাকা শুক্রবার, ২৭ চৈত্র, ১৪২৬ , বসন্তকাল, ১৬ শাবান, ১৪৪১

বিনোদন, লিড নিউজ, সাক্ষাৎকার জন্মদিন উপলক্ষে কত উপহার পেয়েছি তার কোনো হিসাব নেই: ইলিয়াস কাঞ্চন

জন্মদিন উপলক্ষে কত উপহার পেয়েছি তার কোনো হিসাব নেই: ইলিয়াস কাঞ্চন

হাসান সাইদুল, নিরাপদ নিউজ : ঢাকাই চলচ্চিত্রের একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও বর্তমানে সংগঠক ইলিয়াস কাঞ্চন। অভিনয় না করলেও দর্শক হৃদয়ে এখনও আসন পেতে বসে আছেন। আজ এ অভিনেতার জন্মদিন। দিনটি উদযাপন, বর্তমান ব্যস্ততা ও সমসাময়িক প্রসঙ্গ নিয়ে তিনি কথা বলেছেন গণমাধ্যমের সাথে। তার দেয়া সাক্ষাৎকারটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো।

* জন্মদিন আপনার কাছে কী অনুভূতি নিয়ে আসে?

** জন্মদিন আমার কাছে বিশেষ কোনো অর্থ বহন করে না। আমি কখনও জন্মদিন পালন করি না। প্রতিদিনই বেঁচে আছি। প্রতিদিন যেন সুস্থ থাকি এটাই আল্লাহর কাছে চাওয়া। আশপাশের মানুষজন ভালো থাকুক, এটাও চাই।

* তাই বলে দিনটি কেউ উদযাপন করেন না?

** তা করেন। আমার সন্তানরাও কিছু না কিছু করে। আমার মেয়ে বিদেশ থেকে অনলাইনে অর্ডার করে কেক পাঠিয়ে দেয়। আমার ছেলে ও বউ বাসায় আয়োজন করে। ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ সংগঠনের পক্ষ থেকেও আয়োজন করা হয়। এটা তো তাদের ভালোলাগা। কিন্তু আমি চাই জন্মদিন উপলক্ষে যে খরচ হবে বা হওয়ার কথা তা আমি অসহায় কিংবা পথশিশুদের মাঝে বিলিয়ে দিতে। এটা আমার ভালোলাগা।

* এ দিনে নিশ্চয়ই উপহার আসে অনেক?

** আসে তো অবশ্যই। জন্মদিনে এ বিষয়টিই আমার খুব ভালোলাগে। জন্মদিন পালন করতে না চাইলেও উপহার পেতে চাই। উপহার পেতে কার না ভালো লাগে? জন্মদিন উপলক্ষে কত উপহার পেয়েছি তার কোনো হিসাব নেই।

* আজকের কর্মসূচি কী আপনার?

** অন্যান্য দিনের মতোই কাটবে সারা দিন। হয়তো জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজন হবে এটা ঠিক; কিন্তু আমি বাসা এবং আমার সংগঠনেই থাকব অন্যান্য দিনের মতো।

* অভিনয়ে ফেরার ইচ্ছা আছে কি?

** আমি অভিনয় ছেড়ে দেইনি। ভালো গল্প পেলে অবশ্যই অভিনয় করব। অভিনয় দিয়েই তো আমি আজকের ইলিয়াস কাঞ্চন। তো এটি ছেড়ে কি ভালো থাকা যায়?

* নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) আন্দোলন নিয়ে আলোচনায় এসেছেন। হুমকিও এসেছে অনেক। কখনও কি নিরাপত্তাহীনতার কথা ভেবেছেন?

** নিরাপত্তাহীনতার ভয় সবারই থাকে। আমারও আছে। কেননা আমি তো সংগঠন করি। এটি সবার ক্ষেত্রেই কম-বেশি ঘটে। কিন্তু কেউ কেউ আমার এ সংগঠনের বাধা হয়ে আছে। জানি না কবে কোথায় মারা যাব। তবে আমি যতদিন বেঁচে আছি এ সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাব।

* আপনার অনুপস্থিতিতে এ সংগঠনের মূল দায়িত্বে কে থাকবেন?

** আমার ছেলে। ইতিমধ্যে তাকে আমি সব বুঝিয়ে দিয়েছি। বর্তমানে আমি যা কিছু করি ছেলের সঙ্গে পরামর্শ করেই করি। ও আমার চেয়ে ভালো করবে এ সংগঠনে। সবার কাছে দোয়া চাই।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)