ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট মার্চ ৬, ২০১৬

ঢাকা রবিবার, ৩০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ১৭ রবিউস-সানি, ১৪৪১

শিল্পনগরী সংবাদ ডুবে যাওয়া নৌযান সনাক্তকরণ যন্ত্র আবিস্কার করেছে মোটরসাইকেল মেকার শফিকুল

ডুবে যাওয়া নৌযান সনাক্তকরণ যন্ত্র আবিস্কার করেছে মোটরসাইকেল মেকার শফিকুল

এ আবিস্কারটি তিনি সরকারের হাতে তুলে দিত চান।

এ আবিস্কারটি তিনি সরকারের হাতে তুলে দিত চান।

০৬ মার্চ ২০১৬, নিরাপদ নিউজ : ডুবে যাওয়া নৌযান সনাক্তকরণ মেশিন আবিস্কার করে চমক লাগিয়ে দিয়েছে মোটর সাইকেল মেকার শফিকুল ইসলাম শফি। নব আবিস্কৃত যন্ত্রটির নাম দেয়া হয়েছে “সোনার বাংলা ডিজিটাল মেশিন”।

শফিকুল চুয়াডাঙ্গা শহরের মাষ্টার পাড়ার মুনছুর আলীর ছেলে। শহরের একাডেমি মোড়ে মোটরসাইকেল ম্যাকানিকের দোকানের পাশাপাশি সৃষ্টিশীল বিষয় নিয়ে ভাবতে থাকে । সেই ভাবনা থেকে কয়েকবছর গবেষণা চালিয়ে শফিকুল এ যন্ত্রটি আবিস্কার করেন। দুই থেকে আড়াই ফুট উচ্চতার ১০ কেজি ওজনের “সোনার বাংলা ডিজিটাল মেশিনটি” যে কোন নৌযানে লাগানো যাবে। নৌযানটি আকষ্মিক দূর্ঘটনায় পড়ে পানিতে ডুবে গেলে, নৌযানে সংযুক্ত সনাক্তকরণ মেশিনের একটি অংশ নৌযানের সাথে নিচে চলে যাবে। অপর অংশটি আলাদা হয়ে ডুবে থাকা নৌযানের সোজাসুজি পানির উপরে ভাসবে। লাইট সংযুক্ত থাকায় রাতেই বেলায় আলো জ্বলার কারনে নৌযান সনাক্ত করা যাবে। যন্ত্রটি দুইটি ভাগে বিভক্ত। তার দিয়ে একটির সাথে অপরটির সংযুক্ত করা ।

আবিষ্কারক শফি বলেন, প্লাষ্টিকে মোড়ানে এ যন্ত্রটির ভিতরে লোহা, চুম্বক, ৩.৮ ভোল্টের একটি চার্জার ব্যাটারি ও উপরে ৩টি বাল্প আছে। তৈরী করতে খরচ হচ্ছে ১৫-২০ হাজার টাকা। এ আবিস্কারটি তিনি সরকারের হাতে তুলে দিত চান।

নব আবিস্কৃত যন্ত্রটির সম্পর্কে জানাতে বৃহস্পতিবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবে সংবাদ সন্মেলন করা হয়। সংবাদ সন্মেলনে আবিস্কারক শফিকুল ইসলাম, সাবেক পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দাার টোটন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)