আপডেট জানুয়ারী ২৩, ২০২০

ঢাকা বুধবার, ৭ ফাল্গুন, ১৪২৬ , বসন্তকাল, ২৩ জমাদিউস-সানি, ১৪৪১

খুলনা, সংগঠন সংবাদ নিসচা খুলনা মহানগর শাখার বিবৃতি: খুলনা শিপইয়ার্ড চার লেনসহ নগরীর সড়ক সংস্কারের দাবী

নিসচা খুলনা মহানগর শাখার বিবৃতি: খুলনা শিপইয়ার্ড চার লেনসহ নগরীর সড়ক সংস্কারের দাবী

খুলনা মহানগরের প্রবেশ সড়ক রূপসা ট্রাফিক মোড় থেকে রূপসা সেতু পর্যন্ত খুলনা শিপইয়ার্ড ৪ লেন সড়ক একনেকে অনুমোদন হওয়ার ৭ বছর পেরিয়ে গেলেও সড়ককের নির্মান কাজ শেষ না হওয়ার প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তিতে। এবং এ সড়কের বেহাল দশার কারনে কয়েকটি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন শিক্ষার্থীসহ কয়েকজন। ভাঙ্গাচরা এই সড়কে নেই কোন ফুটপাত, নেই কোন ড্রেন যার ফলে পথচারী হাটতে পারে না, একটু বৃস্টি হলেই জলাবদ্ধতা এবং কাদাঁ। ঝুকি নিয়ে প্রতিদিন মানুষ চলাচল করছে।

অত্র এলাকায় প্রতিষ্ঠিত কয়েকটি ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের অসংখ্য ট্রাক দিন-রাত চলাচলের কারনে ক্রমাগত বেড়ে চলেছে দুর্ঘটনা। চার লেন এই প্রকল্প সংশ্লিষ্টি কয়েকটি দপ্তরের কর্মকর্তাদের ক্ষমতার দাম্ভিকতার কারনে খুলনা নগররীর এ গুরুত্ত¡পূর্ণ সড়কের নির্মান কাজ শেষ হচ্ছে না। তাদের রশি টানাটানির নির্মম ভোগান্তির শিকার খুলনা নগরবাসী।

অন্যদিকে খুলনা ওয়াসা নগরীর পানি সরবারহের উন্নয়ন কাজের নামে দীর্ঘদিন নগরীর বিভিন্ন সড়ক খোড়াখুড়ির কারনে চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী। তাদের কর্মকান্ড দেখে মনে হয় তারা খুলনাকে যা ইচ্ছা তাই করবে তাদের কেউ কিছু বলতে পারবে না। যার প্রমান তারা সাংবাদিকের উপর হামলা করে দেখিয়েছে। ওয়াসা’র এই অপরিকল্পিত কর্মকান্ড খুলনা সিটি কর্পোরেশন সমাধান করবে বলে নগরবাসী মনে করলেও তার কোন সুফল সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক দেখাতে না পারায় নগরবাসী চরমভাবে হতাশ।

ওয়াসা’র এরুপ কর্মকান্ডে এবং কেসিসি’র নিরবতায় নগরবাসী প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনা এবং শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগের শিকার হচ্ছে। এ বিষয় খুলনা-২ সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল এর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হচ্ছে।

অবিলম্বে কেডিএ কর্তৃক শিপইয়ার্ড ৪ লেন সড়ক বাস্তবায়ন এবং খুলনা ওয়াসা’র অপরিকল্পিত খোড়াখুড়ি বন্ধকরে কেসিসি কর্তৃক নগরীর সড়ক সংস্কারের জোর দাবী বিবৃতি দিয়েছেন,নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) খুলনা মহানগর শাখার আহবায়ক খুলনা জেলা শাখার সাবেক সাধারন সম্পাদক এস এম ইকবাল হোসেন বিপ্লব।

সহ যুগ্ম আহবায়ক এমডি খাইরুল ইসলাম জনি, যুগ্ম আহবায়ক শেখ মনির আহমেদ মুন্না, মো: সাইফুল ইসলাম,সদস্য সচিব প্রভাষক এসএম সোহেল ইসহাক, শেখ মো: নাসিরউদ্দিন, সামছুন নাহার লিপি ,আব্দুস সালাম শিমুল, বনানী আফরোজা,আনোয়ারা পারভীন আক্তার পরী, এসএমএ রহিম, মো: শহিদুল ইসলাম, আফজাল দেওয়ান,এ্যাড, মো: মেহেদী ইনছার, ইঞ্জি: মিজানুর রহমান, মো: সোলায়মান হোসেন,শেখ মো: বাহালুল আলম,রোজী ইসলাম নদী,মো: নজরুল ইসলাম,মো: নাজমুল হোসেন,এসএম জাহিদ সিদ্দিকী,মো: আকরাম হোসেন,খান ইমরান আহমেদ,মো: রুহুল আমীন সোহাগ,মো: রেজাউল করিম, মো: রাকিবউদ্দির ফারাজী,আবুল হাসান,মো: খোরশেদ আলম, মাহমুদা আক্তার লিজা, অধ্যাপক তাসরিনা বেগম,খ ম শাহীন, এমএ মান্নান বাবলু,হারুন অর রশীদ খান,মো: মিশকাতুল ইসলাম,মো: ফিরোজ আলী,মো: মাসুদ রানা,শিরিনা পারভীন, শামসুল কাদের,সদস্য কাজী রাসেল, ফরিদ খান, জয়নাল ফরাজী,শাখায়াৎ হোসেন স্বপন, শেখ এনছান উল্লাহ রিংকু, মো: হাছিবুর রহমান,কাজী তাসকিন আহমেদ, মো: ইফতেখান হোসেন, আরাফাত হোসেন রাজু, মো: আনিছুর রহমান কবির,শেখ হাসান মাহফুজ।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)