ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট নভেম্বর ১৯, ২০১৭

ঢাকা বুধবার, ৯ মাঘ, ১৪২৬ , শীতকাল, ২৬ জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪১

বিনোদন ‘প্রেম করাটা একটা সমস্যা’

‘প্রেম করাটা একটা সমস্যা’

‘প্রেম করাটা একটা সমস্যা’

১৯ নভেম্বর, ২০১৭, নিরাপদ নিউজ : চিত্রনায়িকা অধরা খান। চলচ্চিত্রে পা দিতেই চলে এসেছেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। দীর্ঘ দিন থেকে স্বপ্ন ছিল চলচ্চিত্রে কাজ করার। সে স্বপ্ন তার পূরণ হতে চলেছে। গুণী নির্মাতা শাহিন সুমনের ‘পাগলের মত ভালোবাসি’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার পথ চলা শুরু হয়। ছবিটি এখন মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। বর্তমানে একই পরিচালকের ‘মাতাল’ ছবিতে কাজ করছেন। এছাড়া সম্প্রতি কাজ করার কথা হয়েছিল ‘রহিঙ্গা’ নামের একটি চলচ্চিত্রে। তবে তিনি এই ছবি থেকে আবার নিজেকে সরিয়েও নিয়েছেন। চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন ইস্পাহানি আরিফ জাহানের ‘নায়ক’ চলচ্চিত্রে। এর বাহিরে আরো কিছু ছবিতে কাজের কথা চলছে। চলচ্চিত্রের কাজ নিয়েই বর্তমানে তার যত ব্যস্ততা। এর বাইরে এখন আর কোনো চিন্তা নেই। বর্তমানে ‘মাতাল’ ছবির কাজে সময় দিচ্ছেন  তিনি। ছবিটি পরিচালনা করছেন শাহিন সুমন । সম্প্রতি এফডিসিতে এর শুটিং হয়েছে। তবে বৃষ্টির কারনে শুটিংয়ে কিছুটা বিঘ্নের সৃষ্টি হয়। আসলে মজার বিষয় হলো ‘মাতাল’ ছবির যতবারই শুটিং শুরু হয়েছে আর ততবারই বৃষ্টি এসে বাগড়া দিয়েছে।  সব কিছু এনজয় করেছেন চিত্রনায়িকা অধরা খান।

চলচ্চিত্রে আসার পেছনে কে স্বপ্ন যুগিয়েছে? এমন এক প্রশ্নে অধরা বলেন, আসলে হঠাৎ করেই আমার চলচ্চিত্রে আসা। এটার জন্য যে দীর্ঘ পরিকল্পনা ছিল তা কিন্তু নয়। তবে অনেক আগ থেকেই স্বপ্ন ছিল এ মাধ্যমে কাজ করার। নিজের ভেতর থেকেই একটা চাপ অনুভব করতাম। স্বপ্ন দেখছিলাম কিভাবে এ পথে এগুবো। সেই সুযোগটা এতদিন হয়ে উঠেনি। অপেক্ষা করছিলাম ব্যাটে বলে মেলানোর। অবশেষে সেই সুযোগটা যখন আসলো দ্রত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি। শাহিন সুমন ভাইর হাত ধরে আমি চলচ্চিত্রে পা রেখেছি। এটা সত্যি আমার জন্য অনেক আনন্দের ও সুখের। তিনি আমার স্বপ্ন পূরণে সহযোগিতা করেছেন। শাহিন ভাই এমনই একজন পরিচালক যার হাত ধরে ফিল্মে অনেকেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তিনি একজন সফল পরিচালক। তার হাত ধরেই আমার দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন ও ইচ্ছে পূরণ হচ্ছে। এখন অনেক কাজ করতে চাই। কাজের মাধ্যমে নিজেকে অন্যদের থেকে আলাদাভাবে তুলে ধরতে চাই। যেহেতু সিনেমায় কাজ করছি, এটাই এখন আমার ধ্যান জ্ঞান। আসলে আমি এখন প্রেমে পড়েছি।

প্রেমে পড়েছেন, কারো সঙ্গে প্রেম করছেন? প্রশ্নে অধরা বলেন, হ্যাঁ, প্রেমতো করছি। প্রেম ছাড়া কি মানুষ বাঁচতে পারে? প্রেম বিরহ এইসব মানুষকে খাঁটি করে। প্রেমহীন মানুষতো পাথরের মতো। তবে আমি যে প্রেমের কথা বলছি সেটা আগে জানতে হবে। শুধু যে একজন মানুষের সঙ্গে প্রেম করতে হবে তা কিন্তু নয়। প্রেম অন্য কিছুর সঙ্গেও হতে পারে। মূলত আমি সিনেমার প্রেমে পড়েছি। বলা যায় হাবুডুবু খাচ্ছি। এখন আমার ধ্যান জ্ঞান একটাই সেটা হলো ভালোভাবে অভিনয় করা। এর মাধ্যমে ভালো কাজ দিয়ে আমি ইন্ডস্ট্রিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে চাই। নিজেও চলচ্চিত্রে ভালো কিছু করার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে চাই।

আর আমরা যারা ফিল্মে কাজ করছি তাদের জন্য প্রেম করাটা একটা সমস্যা। সেজন্য কোনো ব্যক্তির সঙ্গে এখন প্রেম করা যাবে না। আমি মনে করি নিজের কাজের সঙ্গে প্রেম করতে হবে। আর প্রেম করতে গেলে দেখা যায় যে, প্রেমিকরা কাজের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি করে। তারা অন্যের ওপর  প্রভাব বিস্তার করতে চায়। এটা করা যাবে, ওটা করা যাবে না। অর্থাৎ নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে চলার পথে। এটা আমাদের সবার এক ধরনের মেন্টালিটি। সো আমি কোনো ব্যক্তির সঙ্গে প্রেম করছি না। আমি আমার কাজটাকে এনজয় করছি। যখন নতুন একটি কাজ আসে আমি তখন সে কাজে ডুবে থাকার চেষ্টা করি। এটাই আমার প্রেম।

রোহিঙ্গা চলচ্চিত্রে আপনার অভিনয়ের কথা ছিল কিন্তু এখন করবেন না। কেন? অধরা বলেন, হ্যাঁ, আমি সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মণ্ড ভাই এর রহিঙ্গা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের কথা ছিল। কক্সবাজারে তারা কয়েকদিন শুটিং ও করেছে। কিন্তু ব্যক্তিগত কারনে আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না ছবিটিতে কাজ করার। আর ডায়মণ্ড ভাই অনেক সিনিয়র একজন মানুষ। তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমেই কাজ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন এর বেশি আর কিছু বলতে চাচ্ছি না।

 

সম্প্রতি নায়ক চলচ্চিত্রে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এই ছবি সম্পর্কে কিছু বলুন? অধরা বলেন, আমি যাদুকাঠি মিডিয়ার ‘নায়ক’ চলচ্চিত্রে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। এ সম্পর্কে বলতে গেলে আমি খুবই লাকি। কারন ইস্পাহানি আরিফ জাহান অনেক বড় মাপের  ডিরেক্টর। তাদের ছবিতে আমি কাজ করবো এটি আমার জন্য অনেক  আনন্দের। এই ছবিতে একটু ভিন্ন চরিত্র আছে। আমি একজন উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান হিসেবে দর্শকের সামনে আসবো। আর প্রেম ভালোবাসাতো আছেই। রোমান্টিক হিরো বাপ্পি চৌধুরী এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)