আপডেট ৩৪ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ ফাল্গুন, ১৪২৬ , বসন্তকাল, ১ রজব, ১৪৪১

বহির্বিশ্ব, লিড নিউজ ফেসবুক হচ্ছে ছদ্মবেশী ট্রাম্প প্রশাসন: ন্যান্সি পেলোসি

ফেসবুক হচ্ছে ছদ্মবেশী ট্রাম্প প্রশাসন: ন্যান্সি পেলোসি

নিরাপদ নিউজ: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুককে ছদ্মবেশী ট্রাম্প প্রশাসন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের ডেমোক্রেটিক স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি। এমনকি ফেসবুককে লজ্জাকর কোম্পানি হিসেবেও অভিহিত করেন তিনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার ক্যাপিটল হিলে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। পেলোসির এমন মন্তব্য ডেমোক্র্যাটিক নেতৃত্ব এবং ফেসবুকের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলছে।

বার্তা সংস্থা সিএনএনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গের ক্ষমতা নিয়ে ন্যান্সি পেলোসিকে প্রশ্ন করা হলে তিনি ফেসবুককে মার্কিন জনগণকে টাকার বিনিময়ে ভুলপথে পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ তোলেন।

ডেমোক্রেটিক স্পিকার বলেন, ফেসবুক সবার ওপরে শুধু লাভ বোঝে। তারা শুধু চায় তাদের কর কাটা যাক, তাদের বিরুদ্ধে কোনো অ্যান্টিট্রাস্ট কর্মসূচি নেওয়া না হয়।

ফেসবুক হচ্ছে ছদ্মবেশী ট্রাম্প প্রশাসন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘তারা (ফেসবুক) বাচ্চাদের ওপর প্রভাবের বিষয়ে চিন্তা করে না। তারা সত্যের বিষয়ে চিন্তা করে না। এগুলো (ফেক কন্টেন্ট) কোথা থেকে আসছে, তা তারা চিন্তা করে না।’

রাশিয়ার কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার বিষয়ে ন্যান্সি পেলোসি বলেন, ‘গত বছর রাশিয়ার কাছ থেকে নেওয়া অর্থের বিষয়েও তারা কোনো পরীক্ষা করেনি। এটা তাদের অবশ্যই করা উচিত ছিল।’

গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির একটি নকল ভিডিও সরাতে অস্বীকৃতি জানায় ফেসবুক। এতে পেলোসি ক্ষিপ্ত হন।

ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী রুডি জুলিয়ানির শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, ওয়াশিংটনের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় কংগ্রেসের ডেমোক্রেটিক স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির কথা জড়িয়ে আসছে। দেখে মনে হচ্ছে, তিনি কিছুটা মাতাল।

তবে পরে প্রকাশিত হয়, ইচ্ছাকৃতভাবে ‘এডিট’ করে পেলোসির কথার গতি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর তাতেই মনে হচ্ছে, পেলোসি মাতাল অবস্থায় কথা বলছেন। লাখ লাখ মানুষ ভিডিওটি দেখেছেন। অনেকে পেলোসির নিন্দাও করেছেন।

তবে ভিডিও সরানোর বিষয়ে ফেসবুকের যুক্তি, মিথ্যা বলেই কোনো ভিডিও সরানো তাদের নীতি নয়। কোনটি সত্য, কোনটি মিথ্যা, সে সিদ্ধান্ত যারা সে ভিডিও দেখছে, তাদেরই নিতে হবে। রাজনীতিবিদদের ক্ষেত্রে কোনো কনটেন্ট সম্পাদনার দায়িত্ব তারা নেবে না। ফেসবুকে রাজনীতিবিদেরা মিথ্যা তথ্য দিলেও তারা সরাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)