আপডেট জানুয়ারী ২২, ২০২০

ঢাকা বুধবার, ৭ ফাল্গুন, ১৪২৬ , বসন্তকাল, ২৩ জমাদিউস-সানি, ১৪৪১

রাজধানী সংবাদ বস্তিবাসীর উন্নয়নে কাজ করবেন মাহমুদ হাসান আজাদ

বস্তিবাসীর উন্নয়নে কাজ করবেন মাহমুদ হাসান আজাদ

মিতিন খান, নিরাপদ নিউজ: আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৯ নং ওয়ার্ডে স্বতন্ত্র কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মাহমুদ হাসান আজাদ। তার নির্বাচনী প্রতীক লাটিম। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে আওয়ামী রাজনীতির একনিষ্ঠ কর্মী। বর্তমানে তিনি বনানী থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (২০১৬-২০১৯)। তার পুরো পরিবারই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবা আবদুল মান্নান কবীর ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে সরাসরি অংশগ্রহণ করে দীর্ঘদিন কারাবন্দী ছিলেন। তিনি কাকচিড়া ও পাথরঘাটা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। আজাদের মা সুফিয়া কবীর বর্তমানে উত্তরা থানা মহিলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এবং গুলশান থানা মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য। তার সহধর্মিনী জান্নাতুল ফেরদৌস পপি সাংগঠনিক সম্পাদক, উত্তরা থানা (পশ্চিম) মহিলা আওয়ামী লীগ, একমাত্র ছোট ভাই নাজমুল হাসান আসাদ ১৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক।
মাহমুদ হাসান আজাদ নিজ জন্মস্থান বরগুনা থাকাকালীন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৯০-৯১ সালে বরগুনা জেলার কাকচিড়া থানা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি তার ক্যারিয়ারে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তা হলো- শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, ১৯নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ (১৯৯১-৯৩), সরকারী তিতুমীর কলেজ শহীদ সিরাজ হলের সাধারণ সম্পাদক (১৯৯১-৯৩), সদস্য, সরকারী তিতুমীর কলেজ, ছাত্রলীগ (১৯৯৩-৯৫), সিনিয়র সহসভাপতি, সরকারী তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগ (১৯৯৫-৯৮), সহসভাপতি ও সদস্য, ঢাকা মহানগর (উত্তর) ছাত্রলীগ (১৯৯৮-২০০৩), আহ্বায়ক, সরকারী তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগ (১৯৯৮-২০০২), শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, গুলশান থানা আওয়ামী লীগ (২০০৩-২০১৫), সদস্য সচিব, সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি, গুলশান থানা আওয়ামী লীগ (২০১৪-২০১৫)। এর বাইরেও দলীয় প্রযোজনে তিনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। রাজনীতি ছাড়াও তিনি বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে জড়িত রয়েছেন। এরমধ্যে সাধারণ সম্পাদক, বনানী সুপার মার্কেট দোকান মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর সিটি কর্পোরেশন দোকান মালিক ফেডারেশন, প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডিয়াম সদস্য, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান- কেন্দ্রীয় কমিটি, আজীবন সদস্য, বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সমিতি, বনানী নবারুন সংঘ, বরিশাল বিভাগ সমিতি ও বরগুনা জেলা সমিতি। আওয়ামী লীগের একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবেই এলাকায় যত পরিচিতি তার। বিগত ২০১৫ সালে তিনি ১৯ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। সেবার দেয়া হয়নি তাকে। তাই আশায় ছিলেন এবার কাউন্সিলর হিসেবে তাকেই মনোনয়নে দেয়া হবে। কিন্তু এবারও দেয়া হয়নি। এ জন্য খুব কষ্ট পেয়েছেন মাহমুদ হাসান আজাদ। ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে যে এলাকার মানুষের সাথে তার নিবিড় সম্পর্ক সেই এলাকার মানুষের চাপেই তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। নির্বাচনে জয়ী হবার ব্যাপারে তিনি ১০০ ভাগ নিশ্চিত। এ ১৯ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হিসেবে আরো যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তারা হলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মোঃ মফিজুর রহমান, তার প্রতীক টিফিন ক্যারিয়ার আর বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হলেন আলহাজ ফারুক হোসাইন ভূঁইয়া, তার প্রতীক ঠেলাগাড়ি।
গুলশান-বনানী এবং কড়াইল এলাকার খেটে খাওয়া মানুষের অত্যন্ত আস্থাভাজন হিসেবে সুপরিচিত মাহমুদ হাসান আজাদ। তিনি নির্বাচিত হলে গুলশান-বনানী এবং কড়াইলকে মাদকমুক্ত, চাঁদাবাজি মুক্ত, অবৈধ দখল উচ্ছেদের পাশাপাশি উক্ত এলাকার ছিন্নমূল মানুষের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করবেন-এমনটাই বললেন মাহমুদ হাসান আজাদ।
১৯নং ওয়ার্ডে বিশেষ করে কড়াইল বস্তিবাসীর জীবনমান উন্নয়নে মাহমুদ হাসান আজাদ বলেন, বস্তিবাসীর স্থায়ী পুনর্বাসন ও সুস্থ জীবন ধারণের নিশ্চিতকরণ, বস্তির অভ্যন্তরে অগ্নি নির্বাপণের সুব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ. বস্তির শিশুদের মাদক সন্ত্রাসসহ অপরাধজগত থেকে দূরে রাখতে সুস্থ বিনোদন ও খেলাধূলার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, বস্তিবাসীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে প্রতিনিয়ত ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পসহ স্বল্প মূল্যে চিকিৎসা সেবা ও স্বাস্থ্য ক্লিনিক চালু করাসহ বস্তিবাসীর গ্যাস সংকট নিরসনে স্থায়ী গ্যাস সংযোগ সরবরাহের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করব।
মাহমুদ হাসান আজাদ বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতির কারনেই নানা সময় মামলা হামলার শিকার হয়েছি, দীর্ঘদিন কারাবন্দী থাকতে হয়েছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে একচুলও নড়িনি, আগামীতেও নড়ব না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এগিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)