ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট জুলাই ১৫, ২০১৯

ঢাকা বুধবার, ৯ মাঘ, ১৪২৬ , শীতকাল, ২৫ জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪১

বরিশাল, সড়ক সংবাদ বাউফলে সড়কের মাটি কেটে ফেলে রাখা হয়েছে, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

বাউফলে সড়কের মাটি কেটে ফেলে রাখা হয়েছে, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

কামরুল হাসান,নিরাপদনিউজ : তিন মাস আগে (এপ্রিল মাসে) সড়কের মাঝখান থেকে মাটি কাটা হয়েছে।এরপর আর সড়কের ধারে কাছে কেউ আসছে না। এতে ওই সড়কটি দিয়ে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বৃষ্টির কারণে বর্তমান সড়কটিকে কাদা আর কাদা।পায়ে হেটে চলাচল করতেও অনেক সমস্যা হচ্ছে।চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন দুইটি ইউনিয়নের শিশু শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ।
কথাগুলো বলেন পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মধ্য মদনপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. আলাউদ্দিন হাওলাদার।

উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কনকদিয়া ও মদনপুরা ইউনিয়নের আমিরাবাদ-মধ্যমদনপুরা-চন্দ্রপাড়া চাররাস্তার মোড় বাজার পর্যন্ত পৌনে পাঁচ কিলোমিটার সড়কটি নির্মাণের জন্য দরপত্র আহবানের পর ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ‘পল্লী স্টোর’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়।চলতি বছরের অক্টোবরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করতে হবে। নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
সরেজমিনে দেখা যায়,সড়কটির মাঝখান দিয়ে মাটি কাটা।তাতে কাদা আর কাদা। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে সড়কটির মাটি কাটে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ করা শ্রমিকেরা।

সড়কটি কনকদিয়া ও মদনপুরা দুই ইউনিয়নের মানুষের চলাচলের জন্য করা হলেও মাঝপাড়া, মধ্যমদনপুরা, রামলক্ষণ ও দ্বিপাশা এই চার গ্রামের হাজারো মানুষের চলাচলের প্রধান সড়ক হলো এই সড়কটি। মাটি কেটে ফেলে রাখায় তাঁদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। মধ্যমদনপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুনিরা আক্তার বলে,‘সড়কটি দিয়ে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করতে খুবই কষ্ট হয়। সড়কটি দিয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় চার দিন কাদার মধ্যে পড়ে যাই, তখন বিদ্যালয়ে না গিয়েই বাড়িতে চলে আসতে হয়েছে। মুনিরা সড়কটি অল্প সময়ের মধ্যে চলাচলের উপযোগী করে দেওয়ার দাবি জানায়।

মধ্য মদনপুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাফিজুর রহমান বলেন,তাঁর বিদ্যালয়ে সাড়ে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী। এর মধ্যে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীদের ওই সড়কটি দিয়ে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করতে হয়।মাটি কেটে সড়কটি এভাবে ফেলে রাখায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।সড়কটি দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসতে-যেতে খুবই কষ্ট হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানার জন্য পল্লী স্টোর নামে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. বাদল হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলে তিনি ধরেননি। পরে মুঠোফোনে বার্তা পাঠালেও তিনি কল ধরেননি কিংবা কল করেননি। উপজেলা প্রকৌশলী মো. জহুরুল ইসলাম বলেন,‘এলাকাবাসির কষ্ট লাঘবের জন্য খুব তারাতারি কাজ শুরু করার ব্যবস্থা করা হবে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)