ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট জানুয়ারী ১২, ২০২০

ঢাকা বুধবার, ১৬ মাঘ, ১৪২৬ , শীতকাল, ৩ জমাদিউস-সানি, ১৪৪১

অপরাধ, রাজশাহী মাদক বিক্রয়ের ছবি ফেসবুকে প্রকাশের জের ধরে ধুনটে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম

মাদক বিক্রয়ের ছবি ফেসবুকে প্রকাশের জের ধরে ধুনটে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম

কারিমুল হাসান লিখন, ধুনট,নিরাপদ নিউজ: মাদক বিক্রয়ের ছবি ফেসবুকে প্রকাশের জের ধরে বগুড়ার ধুনট উপজেলা যুবলীগের সদস্য শাহা আলী সেখ (৩২) কে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। শাহা আলী ধুনট পৌর এলাকার পূর্ব ভরণশাহী গ্রামের ইমান আলীর ছেলে। এ ঘটনায় আহত শাহা আলী বাদী হয়ে রোববার দুপুরে ধুনট থানায় একটি মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় উপজেলা যুবলীগের সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক ধুনট পৌর এলাকার অফিসারপাড়ার গোলাম মুহিত চাঁনসহ যুবলীগের ৭ নেতাকর্মীকে আসামী করা হয়েছে।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ডিসেম্বর রাতে ‘সবুজ ঘাস’ নামে ফেসবুক আইডি থেকে তানভির হোসেনের বাবা শাহাদৎ হোসেনের ফেন্সিডিল বিক্রির ছবি পোস্ট করা হয়। ছবিতে দু’বোতল ফেন্সিডিল ক্রেতার হাতে তুলে দিচ্ছে শাহাদত হোসেন। অন্যহাতে সে ক্রেতার হাত থেকে এক হাজার টাকার একাধিক নোট গ্রহন করছে। এই ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর পুলিশি গ্রেফতার এড়াতে শাহাদত হোসেন পলাতক রয়েছে।
এদিকে বাবার মাদক বিক্রয়ের ছবি ফেসবুকে ভাইরাল করার সাথে যুবলীগ নেতা শাহা আলী জড়িত রয়েছে বলে সন্দেহ করে মাদক বিক্রেতা শাহাদৎ হোসেনের ছেলে তানভির।

এ ঘটনার জের ধরে শনিবার রাতে শাহা আলীকে ধুনট বাজার থেকে কৌশলে উপজেলা ষ্টাফ কোয়ার্টার এলকায় নিয়ে যায় তানভির ও তার লোকজন। একপর্যায়ে তারা শাহা আলীকে কুপিয়ে জখম করে। এ সময় শাহা আলীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামী ধুনট পৌর এলাকার অফিসারপাড়া গ্রামের ঠিকাদার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে রাকিব হাসান (২০) ও একই এলাকার মাদক কারবারি শাহাদৎ হোসেনের ছেলে তানভির হোসেনকে (২১) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার বিকেলে ধুনট থানা থেকে তাদের বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামীরা পলাতক রয়েছে। ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ ইসমাইল হোসেন বলেন, সংবাদ পেয়ে আহত শাহা আলীর চিকিৎসার খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার এজাহারভুক্ত ২ আসামীকে গ্রেফতার করে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)