English

28 C
Dhaka
রবিবার, মে ২৯, ২০২২
- Advertisement -

সিরাজগঞ্জে কবরে আগুন! যা বললেন স্থানীয়রা

- Advertisements -

সিরাজগঞ্জের পৌর এলাকার রহমতগঞ্জ কবরস্থানের একটি কবর থেকে দাউদাউ করে আগুন জ্বলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির ফেসবুক পেজে কবরের মধ্যে আগুন জ্বলার ভিডিও দেখা যাচ্ছে। এ ঘটনাটি এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

Advertisements

স্থানীয় মনির রহমান জানান, গত ১০ই জানুয়ারি সন্ধ্যায় ঠিক মাগরিবের নামাজের সময় কে বা কারা কবরস্থানের পলিথিন ও কাগজ দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়। এবং সেটা ভিডিও করে ভাইরাল করার জন্য ফেসবুক পেজে ছাড়ে। ফেসবুকে এই ভিডিও দেখে গত তিনদিন থেকে কবরস্থানে লোকজন সমাগম করে। তবে কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা আমরা কেউ দেখিনি।

স্থানীয় চা দোকানি মোস্তফা শেখ বলেন, আমরা মাগরিবের নামাজ শেষ করে বের হয়ে দেখি কবরস্থানে আগুন জ্বলছে। মসজিদ থেকে মুসল্লিদের বের হতে দেখে কয়েকজন ছেলে দৌড়ে পালায়। তবে কারা এরা সেটা চিনতে পারিনি।

কবরস্থানের খাদেম আফজাল হোসেন জানান, কবরস্থানের কিছু পলিথিন কাগজ ও গাছের পাতা একত্রিত করে কে বা কারা আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল।

আমরা মাগরিবের নামাজ শেষে একটি কবরে আগুন জ্বলছে দেখতে পাই। পরে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। কেউ হয়তো ইচ্ছে করে মোবাইলে প্রচার করার জন্য একাজ করেছে। তবে আপনারা কেউ দয়া করে কবরের ছবি উঠাবেন না। কবরের ছবি তোলা নিষেধ।

Advertisements

স্থানীয় জনি আহম্মেদ বলেন, এই ছেলেরা হয়তো তাদের উদ্দেশ্য ছিল ভিডিওটি ফেসবুকের মাধ্যমে ভাইরাল করে তাদেরকে ফেসবুক পেজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। বিষয়টি নিয়ে গুজব না ছড়ানোর জন্য অনুরোধ জানান তিনি। তবে প্রশাসন অবশ্যই কার কার পেজে এই ছবি ভাইরাল হয়েছে সেটা তদন্ত করে দেখে তাদের শনাক্ত করতে পারলেই মূল ঘটনা বেরিয়ে আসবে।

ওই এলাকার কাউন্সিলর মো. জুলফিকার হাসান খান জানান, কিছু কুচক্রী ইসলাম বিরোধী কুসংস্কার রটানোর জন্য এসব করেছে। কবরস্থানে পরিত্যক্ত আগাছা আর শুকনা পাতায় কে বা কারা অগুন ধরিয়ে দেয়। এতে তারা নিজেদের ফায়দা লুটতে চেয়েছিলো। আমরাও এসব ছেলেকে খুঁজছি। পাওয়া মাত্র প্রশাসনের হাতে তুলে দেবো। এই ঘটনা সম্পূর্ণ সাজানো, কোন অলৌকিক নয়।

সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমি জানা মাত্র তদন্তের জন্য অফিসার ঠিক করে দিয়েছি। তিনি তদন্ত তরে দ্রুত এই সব ছেলেদের আইনের আওতায় আনবে। তবে আমার মনে হয় ওরা টিকটক বানানোর জন্যই এই কাজ করেছে। যাতে ধর্মের উপর ভর করে দ্রুত ভাইরাল হতে পারে। তবে কেউ যেন আর এই মিথ্যে সংবাদ প্রচার না করে সে দিকটা খেয়াল রাখবেন।

সাবস্ক্রাইব
Notify of
guest
0 মন্তব্য
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন