ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট ৪৬ মিনিট ৪২ সেকেন্ড

ঢাকা শনিবার, ১২ মাঘ, ১৪২৬ , শীতকাল, ২৯ জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪১

ক্রিকেট রোহিতের জীবনে দুর্দান্ত সাফল্যের রহস্য স্ত্রী-কন্যা আর ভালোবাসা

রোহিতের জীবনে দুর্দান্ত সাফল্যের রহস্য স্ত্রী-কন্যা আর ভালোবাসা

নিরাপদ নিউজ: ভারতের জাতীয় দলের ‘অটো চয়েস’ হয়ে গেছেন রোহিত শর্মা। গত এক বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট রীতিমতো শাসন করেছেন এই হার্ডহিটার। তার ব্যাট থেকে ২০১৯ সালে এসেছে ২,৪৪২ রান। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তো বটেই, টেস্টেও ওপেন করার চ্যালেঞ্জ নিয়ে সফল হয়েছেন। রোহিতের জীবনে প্রশংসা এবং সমালোচনা, দুটোই সমান ভাবে এসেছে। গত ১২ বছরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবনে বহু চড়াই-উতরাইয়ের সাক্ষী থেকেছেন তিনি। এখন তাই শিখে গিয়েছেন সমালোচনা গায়ে না মাখতে। গত ১২ মাসে পাওয়া এই দুর্দান্ত সাফল্যের রহস্য কী?

এক সাক্ষাতকারে রোহিত বলেছেন, ‘আমি এখন অন্য রোহিত। আগে যে ভাবে ভাবনা চিন্তা করতাম, এখন আর সে ভাবে করি না। আমার পরিবারের জন্য আমি এখন খুব ভাল জায়গায় আছি। আমার স্ত্রী রিতিকা এবং মেয়ে সামাইরা আমার পাশে আছে। এখন কে কী বলছে, তা নিয়ে মাথা ঘামাই না। আমার স্ত্রী, মেয়ে সব সময় আমাকে ভালোবাসা আর খুশিতে ভরিয়ে রাখে। আমি সেই পরিধির মধ্যেই থাকতে চাই। তাই এখন আর ভাবি না রাম, শ্যাম, যদু আমাকে নিয়ে কী বলল।’

ইংল্যান্ডের মাটিতে বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যাওয়ার পরে প্রচার করা হয়েছিল, ভারতের সিনিয়র ক্রিকেটাররা তাদের স্ত্রী-পরিবারকে নির্দিষ্ট সময়সীমার বাইরেও সঙ্গে রেখে দিয়েছেন। এই নিয়ে রোহিত বলেন, ‘আমাদের পরিবার সব সময় আমাদের পাশে থাকে। আমাদের খুশি রাখে। এসব যখন লেখা হচ্ছিল, তখন আমার কয়েক জন বন্ধু এসে কথাটা বলেছিল। শুনে আমি খুব হেসেছিলাম। তবে এক পর্যায়ে আমার পরিবারকেও জড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। আমার সম্পর্কে বলুন। কিন্তু আমার পরিবারকে জড়াবেন না। আমার মনে হয় বিরাটেরও এই ব্যাপারে একই মনোভাব। পরিবার আমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’

রোহিত পরিষ্কার বলেছেন, সমালোচনায় প্রভাবিত হওয়ার বয়স তিনি পেরিয়ে এসেছেন। সাদা বলের ক্রিকেটে ভারতীয় দলের সহ-অধিনায়ক বলেন, ‘আমার সম্পর্কে কেউ ভাল বলুক বা খারাপ, তাতে প্রভাবিত হই না। কারণ সেই বয়সটা আমি পেরিয়ে এসেছি। সত্যি কথা বলতে কী, এখন আর এ সব নিয়ে মাথাই ঘামাই না।’

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)