ব্রেকিং নিউজ
বাংলা

আপডেট জানুয়ারি ১১, ২০২০

ঢাকা মঙ্গলবার, ২৪ চৈত্র, ১৪২৬ , বসন্তকাল, ১৩ শাবান, ১৪৪১

জীবনযাপন, রাজশাহী সাপাহারে আ’লীগের দুঃসময়ের কান্ডারী আ.সামাদ এখন ভ্রাম্যমান চা বিক্রেতা!

সাপাহারে আ’লীগের দুঃসময়ের কান্ডারী আ.সামাদ এখন ভ্রাম্যমান চা বিক্রেতা!

মনিরুল ইসলাম, নিরাপদ নিউজ:  নওগাঁর সাপাহারে আ’লীগের দুঃসময়ের কান্ডারী আব্দুস সামাদ মন্ডল এখন ভ্রাম্যমান চা বিক্রেতা হিসেবে টানা-পোড়ার মধ্যে দিয়ে চালাচ্ছে নিজ সংসার ! আজো পর্যন্ত মেলেনি কোন দলীয় ও সরকারী সুযোগ সুবিধা। একান্ত সাক্ষাতকারে আব্দুস সামাদ এ প্রতিনিধিকে জানান, তিনি ১৯৬০ সালে উপজেলার গৌরীপুর গ্রামে এক আ’লীগ পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার বাবার নাম মৃত গশির উদ্দীন মন্ডল। জন্মের পর থেকে পৈত্রিক ভাবে তিনি আর্থিক সামলম্বী ছিলেন। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে আর্থিক ভাবে বিধ্বস্থ হয়ে পড়েন তারা। ১৯৭১ সালে মাত্র ১১ বছর বয়সে মহান মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন ভাবে সহযোগীতা করেন তিনি। পরবর্তী সময়ে তিনি ১৯৮০ সালে এইচএসসি পাশ করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি জন্মস্থান ছেড়ে সাপাহার উপজেলা সদরের জয়পুর মাষ্টার পাড়ায় ২ ছেলে ও দুই মেয়ে নিয়ে ৩ শতাংশ জায়গার উপর বসতবাড়ী নির্মাণ করে চালান তার সংসার। তিনি ১৯৯৬ সাল থেকে সাপাহার উপজেলা আ’লীগের দপ্তর সম্পাদক হিসেবে প্রায় ১০/১২ বছর নিষ্ঠা ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তার আর্থিক অবস্থা অসচ্ছল হওয়ার ফলে প্রতিদিন দুইটি চায়ের ফ্লাক্স হাতে নিয়ে ফেরি করে চা বিক্রি করেন। তাতে তার আয় প্রতিদিন ৩/৪ শ টাকা। যা দিয়ে বর্তমান সময়ে সংসার চালানো প্রায় দুষ্কর। তার পরেও সারাদিন চা বিক্রয় করে সন্ধার পর আ’লীগ পার্টি অফিসে প্রতিদিন প্রায় ২/৩ ঘন্টা সময় দেন আব্দুস সামাদ। পূর্বের ন্যায় এখনো ভালোবাসা কমেনি প্রানের দল আ’লীগের উপর। বর্তমানে সে কোন প্রকার দলীয় বা সরকারী ভাবে কোন আর্থিক সহযোগীতা পাননি। আব্দুস সামাদ আরো জানান, তাকে যদি সরকার দলের পক্ষ থেকে কোন অনুদান প্রদান করা হয় তাহলে তার এ বয়সে কিছুটা কষ্ট লাঘব হবে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)