আপডেট ৫৯ মিনিট ২ সেকেন্ড

ঢাকা রবিবার, ২৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ , হেমন্তকাল, ১০ রবিউস-সানি, ১৪৪১

বহির্বিশ্ব হংকংয়ে পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে বিক্ষোভকারীদের সমাবেশ

হংকংয়ে পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে বিক্ষোভকারীদের সমাবেশ

নিরাপদ নিউজ:  হংকংয়ে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে শনিবার চীনা সীমান্তের নিকটবর্তী একটি শহরে জড়ো হতে শুরু করেছে। তারা গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলাকারী সন্দেহভাজন গ্রুপের বিরুদ্ধে সমাবেশের লক্ষ্যে সেখানে জমায়েত হচ্ছে। গত রোববার সাদা টি শার্ট পরা একটি সশস্ত্র গ্রুপ ইয়েন লং স্টেশনে সরকার বিরোধী বিক্ষোভকারী ও পথচারীদের ওপর চড়াও হয়। এতে অন্তত ৪৫ জন আহত হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরটিতে জনবিক্ষোভ তুঙ্গে ওঠে। এ ছাড়া এ হামলা ঠেকাতে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। বলা হচ্ছে, পুলিশ এ সহিংতা ঠেকাতে তড়িৎ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এদিকে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হিসেবে পুলিশ শনিবারের সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বলেছে, তাদের আশঙ্কা বিক্ষোভকারীরা প্রতিশোধ নেয়ার জন্যে গ্রামবাসীদের ওপর হামলা চালাতে পারে। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা এ নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই ইয়েন লংয়ের মূল স্টেশনে জড়ো হতে শুরু করে এবং রাস্তায় অবস্থান নেয়। পুলিশের উপস্থিতি অনেক থাকলেও তারা একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে রয়েছে। স্টেশনের অধিকাংশ দোকানপাটও বন্ধ রয়েছে। প্রত্যর্পণ বিলকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে হংকংয়ে তীব্র অচলাবস্থা তৈরি হয়। তুমুল বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী ও বেইজিংপন্থী নেতা ক্যারি ল্যাম বিতর্কিত প্রত্যর্পণ বিল স্থগিতের ঘোষণা দেন। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা এতে সন্তুষ্ট না হয়ে প্রত্যর্পণ বিল সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম সম্পূর্ণ বাতিল এবং তার পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ অব্যাহত রাখে। সমালোচকেরা বলছেন, এই প্রত্যর্পণ বিলের কারণে চীন হংকংয়ের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের সুযোগ পাবে। হংকংবাসীও এ আশংকার কারণে বিলটির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। সর্বস্তরের লাখ লাখ লোক রাস্তায় নেমে আসে। ১৯৯৭ সালে চীনের কাছে হংকংয়ের হস্তান্তরের পর থেকে এটি সবচেয়ে ভয়াবহ বিক্ষোভ। এই বিলের কারণে চীন তার দেশের সন্দেহভাজন অপরাধীকে হংকং থেকে ফিরিয়ে নিয়ে বিচার করার সুযোগ পাবে।

পাঠকের মন্তব্য: (পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য কর্তৃপক্ষ কোন ক্রমে দায়ী নয়)