এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, সারাদেশের কাছে বগুড়া সদর উপজেলায় অবস্থিত শাকপালা পার্কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বেলা ১১টায় বগুড়া শহরের শাকপালা পার্ক পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লন্ডনের একটি বৈঠকে দেশের নির্বাচন প্রসঙ্গের পাশাপাশি এ পার্কটির বিষয়ও আলোচনায় উঠে আসে। সেসময় কথোপকথনের একপর্যায়ে তারেক রহমান উল্লেখ করেন, তিনি একসময় হাঁটার জন্য একটি পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন, যা পরে অসমাপ্ত থেকে যায়। সেই পার্কটিকেই পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই আজকের এ পরিদর্শন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত নকশা অনুসারে পার্কটির কাজ সম্পন্ন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত নকশা অনুযায়ী পার্কটি সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে উল্লেখযোগ্য অর্থের প্রয়োজন, যা পৌরসভার পক্ষে এককভাবে বহন করা কঠিন হতে পারে। এ বিষয়ে সড়ক, মহাসড়ক ও সেতু মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে এবং তিনি এতে সম্মতি দিয়েছেন। যেহেতু পার্কটির কাজ পূর্বে সড়ক ও জনপথ বিভাগ শুরু করেছিল, তাই এখন থেকে তাদের ওপরই কাজের দায়িত্ব দেওয়া হবে। তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে নকশা অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়ন করবে। আগামী রবিবার অথবা সোমবার থেকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের মাধ্যমে কাজ শুরু হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে গড়ে ওঠা শাকপালা পার্কটি একসময় এলাকাবাসীর বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র ছিল। তবে দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থেকে এটি জঞ্জালে পরিণত হয়। পরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে লন্ডনের এক বৈঠকে এ পার্কের স্মৃতিচারণ করেন তারেক রহমান। সেই প্রেক্ষাপটে পার্কটির উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবনে নতুন করে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
