ব্রেকিং নিউজ

আপডেট অক্টোবর ৭, ২০১৯

ঢাকা শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২০, ২৬ আষাঢ়, ১৪২৭ , বর্ষাকাল, ১৮ জিলক্বদ, ১৪৪১

একুশে টেলিভিশনে ধারাবাহিক নাটক ‘কথা কাজে মিল নাই’ ও ‘রূপকথার মা’

লিটন এরশাদ

একুশে টেলিভিশনে ধারাবাহিক নাটক ‘রূপকথার মা’

একুশে টেলিভিশনে ধারাবাহিক নাটক ‘রূপকথার মা’

নিরাপদ নিউজ: একুশে টেলিভিশনে আগামী ৮ অক্টোবর মঙ্গলবার প্রচার হবে ধারাবাহিক নাটক ‘কথা কাজে মিল নাই’ ও ‘রূপকথার মা’। ‘কথা কাজে মিল নাই’ নাটকটিতে হাস্যরসের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলা হয়েছে সমসাময়িক বিভিন্ন অমিল। মধ্যবিত্ত পরিবারের নিত্য নৈমিত্তিক টানাপোড়ন আর ব্যস্ত শহরের ব্যস্ত মানুষের কিছু চুম্বক ঘটনাই, দর্শক উপভোগ করবেন এই ধারাবাহিকের মাধ্যমে। হাসান জাহাঙ্গীরের রচনা এবং পরিচালনায় এই মেগা ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন এ টি এম শামসুজ্জামান, শাহরিয়ার নাজীম জয়, সিদ্দিকুর রহমান, মনীরা মিঠু, হাসীনসহ আরও অনেকে। ধারাবাহিকটি প্রতি মঙ্গল, বুধ এবং বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে প্রচার হচ্ছে।
কাহিনী সংক্ষেপ: চার সন্তান নিয়ে মিয়া নাসির উদ্দিনের বাস উত্তরায়। অশিক্ষিত চার সন্তানকে সমাজে গণ্যমান্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে মিয়া নাসির উদ্দিন ছোটবেলা থেকেই তাদের নাম দেন ডাক্তার ফারুক, কর্নেল মারুফ, দারোগা সেলিম এবং মাস্তান মনির। ছেলেদের এই নামের কারণে এলাকাবাসীর কাছে সম্মানীত ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠাও পান মিয়া নাসির উদ্দিন। কিন্তু ক্রান্তি লগ্নে এসে মিয়া নাসির উদ্দিন তার ভুল বুঝতে পারেন। ভুল করেছেন জীবনে, মহা ভুল। নামের টাইটেল দিয়ে ছেলেদের মুর্খ না রেখে শিক্ষিত করতে পারলে আজ একটু হলেও কথা কাজে মিল পাবার প্রয়াস ঘটতো।
‘রূপকথার মা’
একুশে টেলিভিশনে আজ ০৮ অক্টোবর মঙ্গলবার প্রচার হবে ধারাবাহিক নাটক ‘রূপকথার মা’। শরৎচন্দ্র চট্টোপধ্যায় এর উপন্যাস অবলম্বনে ধারাবাহিক নাটক ‘রূপকথার মা’। অঞ্জন আইচের চিত্রনাট্য এবং পরিচালনায় নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, সাদিয়া ইসলাম মৌ, ফারুক আহমেদ, শ্যামল মাওলা, শামিমা তুষ্টি, মাজনুন মিজান, টুটুল চৌধুরী, আহসান কবীরসহ আরও অনেকে। ধারাবাহিকটি প্রতি মঙ্গল, বুধ এবং বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৩০ মিনিটে প্রচার হচ্ছে ।
কাহিনী সংক্ষেপ: সবাই তাকে ডাকে নতুন মা। মা যেন তার পদবী। সে রাখালের কাছে মা আরার তারকের কাছেও মা। হঠাৎ কওে তার মনে হয় বহুদিন আগের কথা।যখন সে ব্রজ বাবুর সংসার থেকে এক কাপরে বেরিয়ে এসেছিল। ব্রজ বাবু অত্যন্ত ভাল ও সাধু প্রকৃতির মানুষ। কোন ধরনের দোষত্র“টি তার মধ্যে নেই। তারপরও বিনা কারণে তাকে ত্যাগ করে রমনীর হাত ধরে চলে যায় সে। অথচ রমনী তাকে তার যোগ্য সম্মান দিতে পারেনি, বরং তাকে এক রকম রক্ষিতা বানিয়ে রেখে দেয়। এই নিয়েই চলতে থাকে তার জীবন যাপন। এবাবে কেটে যায় প্রায় ১২ বছর। কাহিনীর এ পর্যায়ে নতুন মা দেখা করতে আসে ব্রজ বাবুর সাথে। ব্রজ বাবুকে দেখে তার খুব বেশী কষ্ট হয়। সে তাকে এক রকমের সান্তনা দিতে শুরু করে। কিন্তু ব্যাপারটা টের পেয়ে যায় রমনী বাবু। এই নিয়ে অশান্তি শুরু করে। সব দোষ গিয়ে পরে রাখালের উপর। এর মধ্যে নতুন মায়ের ভাড়াটিয়া সাবদা আত্ম হত্যার চেষ্টা করে। কাহিনী মোড় নেয় জটিল দিকে। ও দিকে এলাকায় চলে আসে এক কাপালিক আর এক ব্যবসায়ী। নতুন মা হুট করে বিরাট এক বাড়ি কিনে নেয়।

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x