ব্রেকিং নিউজ

আপডেট ২৮ মিনিট ৬ সেকেন্ড

ঢাকা বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০, ৩১ আষাঢ়, ১৪২৭ , বর্ষাকাল, ২৩ জিলকদ, ১৪৪১

মেয়র আরিফের বিরুদ্ধে কাউন্সিলরদের অভিযোগ,ফাইল যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ে

রকিবুল ইসলাম সোহাগ

নিরাপদ নিউজ

সিলেট ব্যুরো,নিরাপদ নিউজঃ সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতাসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছেন সিসিকের কাউন্সিলররা।তার বিরুদ্ধে রয়েছে অনিয়মের ব্যাপক অভিযোগ। এই নিয়ে ক্ষুব্ধ কাউন্সিলরবৃন্দের একটি বড় অংশ গোপন বৈঠকও করেছেন। বৈঠক থেকে সিদ্ধান্তক্রমে এখন সিসিক মেয়রের অপসারণ দাবিতে একাট্টা অধিকাংশ কাউন্সিলরবৃন্দ। অপসারণপত্রে স্বাক্ষরও করেছেন তাঁরা। আজ বুধবার (০৪ মার্চ) দুপুরে তাদের স্বাক্ষরিত অভিযোগপত্র সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করার কথা রয়েছে। অভিযোগের অনুলিপি প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রী, স্থানীয় সরকার সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও মেয়রের একান্ত সচিব বরাবরেও প্রেরণ করার কথা রয়েছে। এ ব্যাপারে নাম প্রকাশ না করার শতে এক জন কাউন্সিলর জানান, বাংলাদেশ সরকার যখন স্বচ্ছতা, জবাবদিহীতা, সবার অংশগ্রহণে জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করার নির্দেশনা প্রদান করেছেন। তখনই লক্ষ্য করা গেছে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সাধারণ সভায় উপস্থাপন ও আলোচনা না করে বর্তমান পরিষদকে উপেক্ষা করে পরিষদের সিদ্ধান্ত ছাড়াই দক্ষিণ সুরমা এলাকার তেঁতলী ইউনিয়নের বানেশ্বরপুর মৌজায় জায়গা অধিগ্রহণ করেছেন। এদিকে অপর একটি সুত্র জানিয়েছে, সিসিকের এসপল্ট প্লান্ট নির্মানের জন্য তেঁতলী ইউনিয়নে বর্তমান পরিষদকে না জানিয়ে ২৭ কেদার (৪১০ শতক) ভূমি ২৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা অধিগ্রহণ ব্যয় দেখিয়েছেন মেয়র। যা নিয়ে মাসিক সভা কিংবা কাউন্সিলরদের সাথে কোন আলোচনা করেন নি। এছাড়া, খাদিমপাড়ায় সিসিকের ৩ একরের অধিক যায়গা মানুষের দখলে রয়েছে। সেটি উদ্ধারে মেয়র কোন উদ্যোগ না নিলেও ২৪ কোটি টাকার নতুন যায়গা কিনতে ব্যয় করেছেন। সেটিও কাউন্সিলরদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। তাছাড়া সিলেট সিটি করপোরেশনের জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম অনুসরণ না করে টাকার বিনিময়ে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে বিভিন্ন শাখায় লোক নিয়োগ করেছেন। তার ব্যক্তিগত বৃহৎ স্বার্থে সিটি করপোরেশনের স্বার্থ ক্ষুদ্র করে কাজে আসে না, এমন অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন। বিভিন্ন এলাকায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান থেকে বিল পাওয়ার ক্ষেত্রে হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার মাধ্যমে কমিশন বাণিজ্য করেন, যা সিটি করপোরেশনের আইন ও বিধিমালার ধারা-১৩ এর উপধারা ১ (ঘ) অনুসারে মেয়র পদে থেকে অপসারণ যোগ্য অপরাধ। সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে বিষয়টি তদন্ত পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ আবশ্যক। বিষয়টি বিবেচনা পূর্বক তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ কর্তৃপক্ষ মেয়রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান তারা। এছাড়া মেয়র নিজের মেয়েকে সিসিকের একটি প্রকল্পের পরামর্শক হিসেবে রেখেছেন মোটা অংকের বিনিময়ে। আর ডে লেবারদের এপিএস, পিএস করে বিদেশে পাঠিয়েছেন, বলেও অভিযোগ করছেন কাউন্সিলররা।

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x