আপডেট ৩০ মিনিট ৫২ সেকেন্ড

ঢাকা সোমবার, ২৫ মে, ২০২০, ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ , গ্রীষ্মকাল, ১ শাওয়াল, ১৪৪১

বৈশাখী টিভিতে টিপু আলম মিলনের গল্পে মা দিবসের নাটক ‘ওগো মা’

বিনোদন ডেস্ক

নিরাপদ নিউজ

বৈশাখী টিভিতে ১০ মে রাত ১১টায় প্রচার হবে মা দিবসের বিশেষ নাটক ‘ওগো মা’ । মা ও ছেলের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন দিলারা জামান ও ঈরেশ যাকের। মাগো মা ওগো মা, তুমি না হলে আমার জন্ম হতো না… ক্লোজআপ তারকা রাজীবের কণ্ঠে মুক্তি পাওয়া এমন আকেগপ্রবন গানের মিউজিক ভিডিও দারুণ সাড়া ফেলে শ্রোতা মহলে। এ গানের গীতিকার হলেন বৈশাখী টিভির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক টিপু আলম মিলন। সে গানের সাফল্য নিয়েই নির্মিত হয়েছে মা দিবসের নাটক ‘ওগো মা’। নাটকের গল্পও লিখেছেন টিপু আলম মিলন । রূপতনুর সুর ও সঙ্গীতে এ গানটি আবার নাটকের টাইটেল সং হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে। সীমান্ত সজলের পরিচালনায় নাটকে আরো অভিনয় করেছেন মৌটুসী বিশ্বাস, শিরিন আলম, সাজু আহমেদ, মুশফিক শুভ ও শিশু শিল্পী মোহাম্মদ।

টিপু আলম মিলন বলেন, ‘ওগো মা’ নাটকের গল্পটি মূলত মা ও সন্তানের সম্পর্কের নানা টানাপোড়েনকে উপজীব্য করেই রচিত। একজন মা ১০ মাস ১০ দিন গর্ভে ধারণ করে, কি পরিমাণ জঠর যন্ত্রনা সহ্য করে সন্তানের জন্ম দেন তা তিনি ছাড়া আর কেউ বলতে পারবেন না। শিশুকাল থেকে কত না কষ্ট সহ্য করে সেই সন্তানকে তিনি লালন-পালন করে বড় করেন, বিয়ে থা দেন। কিন্তু বিয়ের পরই কোনো কোনো সন্তান যেন বদলে যায়। প্রায় সময়ই স্ত্রীর কথায় অবহেলা আর অসম্মান করে মাকে কষ্ট দেয়। কেউ কেউ আবার মাকে শারীরিক নির্যাতনও করে।

এ রকম ঘটনা আমরা অহরহই পত্রিকার পাতায় কিংবা স্যাটেলাইট চ্যানেলে সংবাদ আকারে দেখতে পাই। মায়ের প্রতি সন্তানের এ অশ্রদ্ধা, অসম্মান আর নির্যাতনের কারণেই আমি এ নাটকের গল্প লিখার তাগিদ অনুভব করি। আমার লিখা এ নাটক দেখে বিপথগামী সন্তানরা যদি তাদের ভুল বুঝতে পেরে মায়ের প্রতি যথাযথ সম্মান দেখায় তাহলেই আমার লিখা সার্থক হয়েছে বলে আমি মনে করব। নাটকটি যারাই দেখবেন তাদের সবারই ভালো লাগবে বলে আমার বিশ্বাস।

পবিত্র কোরআন শরিফে মহান আল্লাহতায়ালা বলেছেন, তোমরা মা-বাবাকে সামান্যতম কষ্ট দিও না যাতে তারা উহ্ শব্দটি উচ্চারণ করে। রাসূলে করিম (সাঃ) বলেছেন, মায়ের পায়ের তলে সন্তানের বেহেশ্ত। তাই ইহকাল এবং পরকালের শান্তির জন্য মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান আর সেবা যতেœর কোনো বিকল্প নেই।

টিপু আলম মিলন আরো বলেন, সন্তান জন্ম নেওয়ার পর বাবা সে সন্তানকে ফেলে চলে যেতে পারে কিন্তু মা সন্তানকে ফেলে দেয়না। মানুষের বাসায় কাজ করে হলেও সে সন্তানকে লালন পালন করে বড় করে তোলে। মায়ের এ ঋণ গায়ের চামড়া দিয়ে পায়ের জুতা বানিয়ে দিলেও শোধ হয়না। অথচ আমরা সেই মাকে ভুলে যাই অযথা কষ্ট দিই, অবহেলা করি, অসম্মান করি। এটা যে কতটা বেদনাদায়ক তা বলে বোঝানো যাবে না। চারপাশের এ ঘটনাগুলো আমাকে দারুণভাবে আবেগপ্রবন করে তোলে। আল্লাহর এবাদত আর মায়ের সেবা ছাড়া সবই যে মূল্যহীন- বিষয়টি যদি সবাই উপলব্ধি করত তাহলে সমাজে এত অসঙ্গতি দেখতে হতো না।

মন্তব্য করুন

Please Login to comment
avatar
  Subscribe  
Notify of