আপডেট ২ মিনিট ৪১ সেকেন্ড

ঢাকা সোমবার, ২৫ মে, ২০২০, ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ , গ্রীষ্মকাল, ১ শাওয়াল, ১৪৪১

বিবাহিত তরুণীকে ধর্ষণ শেষে অটো থেকে ফেলে হত্যা: ধর্ষক সাজ্জাদ আটক

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

নিরাপদ নিউজ

কক্সবাজারের খরুলিয়ার বিবাহিত তরুণী চম্পা বেগমকে উপর্যুপরি ধর্ষণ শেষে চলন্ত অটো থেকে ফেলে খুনের ঘটনায় জড়িত অপর ধর্ষক সিএনজি অটোচালক সাজ্জাদ হোসেনকে (৪০) আটক করা হয়েছে।

আজ সোমবার স্থানীয় জনতার সহায়তায় পেকুয়া থানার পুলিশ তাকে আটকের পর বিকেলে চকরিয়া থানায় সোপর্দ করে। আটক সাজ্জাদ পেকুয়া সদর ইউনিয়নের শেখের কিল্লা ঘোনা এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে।

এর আগে এ ঘটনায় জড়িত আরেক অটোচালক জয়নাল আবেদীনকে (১৮) ঘটনার ২৪ ঘণ্টা না পেরুতেই র‌্যাব অভিযান চালিয়ে আটক করে। সে একই ইউনিয়নের মেহেরনামা নন্দীরপাড়ার মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

এই দুই সিএনজি চালকই তরুণী চম্পাকে গত ৬ মে পেকুয়া থেকে চকরিয়ায় আনার সময় এবিসি আঞ্চলিক মহাসড়কের চকরিয়ার কোনখালীর নির্জন এলাকায় উপর্যুপরি ধর্ষণ করে। এর পর সিএনজিতে তুলে চলন্ত অবস্থায় বিপরীত দিক থেকে আসার অপর একটি গাড়ির সামনে ছুঁড়ে মারে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় চম্পা।

এ ঘটনায় চম্পার বাবা রুহুল আমিন বাদী হয়ে আপন বোন, ভগ্নিপতি, ভাগ্নেসহ চারজনকে আসামি করে থানায় মামলা রুজু করে। মামলায় আসামিদের এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ী করা হলেও ২৪ ঘণ্টা না পেরুতেই ধর্ষক সিএনজি অটোচালক জয়নালকে গ্রেপ্তারের মধ্যদিয়ে হত্যারহস্য ভিন্ন মোড় নেয়।

পেকুয়ার শেখের কিল্লাহ ঘোনার স্থানীয়রা জানান, চম্পাকে ধর্ষণ পরবর্তী হত্যার ঘটনায় সাজ্জাদ জড়িত থাকার বিষয়টি তারা জানতে পারেন। এ ঘটনায় র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার সিএনজি অটোচালক জয়নাল আবেদীন তার স্বীকারোক্তিতে সাজ্জাদ নামে অপর একজন চালক জড়িত বলে জানান। র‌্যাবও বেশ কয়েকবার তার বাড়িতে অভিযান চালায়। কিন্তু তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। সর্বশেষ সোমবার সকালে র‌্যাবের একটি দল সাজ্জাদের চাচাতো ভাই প্রতিবন্ধী নেজাম উদ্দিন ও আবদু রহিমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায়। তারপর থেকে পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী সাজ্জাদকে খুঁজতে থাকে। একপর্যায়ে সকাল ১০টার দিকে শেখের কিল্লা ঘোনার একটি বাড়ি থেকে সাজ্জাদকে আটক করে পেকুয়া থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান বলেন, সকালে স্থানীয়রা সাজ্জাদকে ধরে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে আসে। এরইমধ্যে তাকে চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

Please Login to comment
avatar
  Subscribe  
Notify of