আপডেট ৩৩ সেকেন্ড

ঢাকা সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২০, ২২ আষাঢ়, ১৪২৭ , বর্ষাকাল, ১৪ জিলক্বদ, ১৪৪১

শুধু মাঠে নয় যেসব দেশে মসজিদেও ঈদের জামাতে নিষেধাজ্ঞা

অনলাইন ডেস্ক

নিরাপদ নিউজ

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত পুরো বিশ্ব। প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা। দেশে দেশে চলছে লকডাউন। এখনো আবিষ্কার হয়নি এই মহামারীর কোনও প্রতিষেধক। তাই কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না মহামারী করোনাকে। এরই মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সারা বিশ্বের মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর।

তবে এবার করোনার কারণে দেশে দেশে মসজিদে ঈদের জামাতে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তুরস্ক, সৌদি আরব, আলজেরিয়া, মিসর, সিরিয়া, যুক্তরাজ্য ও ইন্দোনেশিয়াসহ বেশ কয়েকটি রাষ্ট্র। খবর বিবিবি, আনাদুলু এজেন্সি, গালফ নিউজ ও টিআরটি ওয়াল্ডের।

জানা গেছে, মসজিদে গিয়ে জামাতে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সিরিয়ার সরকার। এর আগে তুরস্ক, সৌদি আরব, আলজেরিয়া, মিসর, যুক্তরাজ্য ও ইন্দোনেশিয়ায় ঈদের জামাতে ব্যাপক লোকসমাগমের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সিরিয়ার মসজিদের বদলে বাসায় আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে ঈদের নামাজ আদায় করতে বলা হয়েছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে সোমবার (১৮ মে) দেশটির ধর্ম মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দেয়। সিরিয়ার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রাণঘাতি করোনার বিস্তার ঠেকাতে এ সময়ে মসজিদের পরিবর্তে ঘরে ঈদের নামাজ আদায় করতে হবে।

সৌদি সরকার আগামী ২৩ মে থেকে ২৭ মে পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার কারফিউ ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে দেশটির গ্রান্ড মুফতি শেখ আবদুল আজিজ আল-শেখ ঈদের নামাজ ঘরেও পড়া যায় বলে মন্তব্য করেন। করোনা সংক্রমণ ও বিস্তাররোধে সৌদি সরকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও তারাবি এবং সৌদির প্রধান দুই মসজিদসহ সব মসজিদে সীমিত করে নামাজ আদায়ের নির্দেশ দিয়ে দিয়েছিল। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় আসন্ন ঈদুল ফিতরের দিনও দেশটিতে কারফিউ জারি থাকবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে দেশটিতে।

এ ছাড়া তুরস্কে ২৩ থেকে ২৬ মে দেশব্যাপী পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ওয়াল্ডো মিটার্স এর দেওয়া তথ্য মতে এরই মধ্যে বিশ্বে অর্ধকোটি ছাড়িয়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ লাখ ৬৩০ জনে। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসে এখন পর্যন্ত বিশ্বে মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ২৫ হাজার ১৫৬ জনের। আর বিশ্বব্যাপী সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৭০ হাজার ৯৭৯ জন।

0 0 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments