ব্রেকিং নিউজ

আপডেট ১৩ সেকেন্ড

ঢাকা শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০, ২২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ , গ্রীষ্মকাল, ১২ শাওয়াল, ১৪৪১

বাস চলছে না, ছাড়ছে না ট্রেন কিংবা লঞ্চ: তবুও থেমে নেই বাড়ি ফেরা!

অনলাইন ডেস্ক

নিরাপদ নিউজ

বাস চলছে না, ছাড়ছে না ট্রেন কিংবা লঞ্চও। গণপরিবহন বন্ধ, তবুও অনেক মানুষ ঢাকা থেকে ছুটছেন বাড়িতে। প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন কিংবা প্রয়োজনের তাগিদে নানা উপায়ে তারা শহর ছাড়ছেন। শুরুতে ঢাকায় ঢোকা এবং বাহির হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক জায়গায় পুলিশের চেকপোস্ট ছিল। তবে এখন তা অনেকটাই শিথিল। তবে ঢাকার রাস্তাগুলো ঠিকই ঈদের পুরনো রূপই ফিরে পেয়েছে।

অলস কমলাপুর, নীরব সদরঘাট
এই সময়টায় ঢাকার কমলাপুর রেল স্টেশন ঘরমুখো মানুষের ভিড়ে কোলাহলমুখর থাকার কথা। সেখানে এখন যাত্রীদের ব্যস্ততা নেই৷ অলস পড়ে আছে শুধু ট্রেনগুলো। পাশাপাশি সদরঘাটও নীরব। এখন হয়তো সদরঘাটে পা রাখাটাই দায় হত যদি সময়টা ভিন্ন হত। অথচ ঈদের একদিন আগেও সেখানে মানুষের ছুটোছুটি নেই, ঘাট ছাড়ার জন্য লঞ্চের তাড়া নেই।

বাস আছে যাত্রী নেই, ফাঁকা টিকেট ঘর
ঈদের সময় মহাসড়কে জ্যামের কারণে টার্মিনালগুলোতে বাস সংকট আর যাত্রীদের অপেক্ষার দৃশ্যই চিরচেনা৷ কিন্তু গাবতলীতে এখন হাজারো বাস থাকলেও যাত্রীরা অপেক্ষায় নেই। ঢাকায় দূরপাল্লার বাসের টিকেট কাউন্টারগুলো ঈদের আগে এমন ফাঁকা কি কল্পনা করা যায়! বাস যেহেতু ছাড়ছে না, তাই টিকেট ঘর খোলার প্রশ্নও আসছে না।

ডাবলডেকার যাবে না, ট্যাক্সিক্যাবের কল নেই
সাধারণত রাজধানীতে চলাচল করলেও ঈদের সময় যাত্রী নিয়ে দূরপাল্লায় পাড়ি দিতে দেখা যায় বিআরটিসির দ্বিতল বাসগুলোকে৷ সেগুলো এখন অকেজো পড়ে আছে ডিপোতে৷মানুষকে বাস, ট্রেন বা লঞ্চ স্টেশনে কিংবা স্বল্পদূরত্বে পৌঁছে দিতে পারে টেক্সিক্যাবগুলোও৷ ব্যক্তিগত যান ছাড়া সব গণপরিবহন বন্ধ এমন ঘোষণায় তাদেরও গ্যারেজ ছেড়ে বেরুনোর উপায় নেই৷

তবুও আশা, পায়ে হাঁটা
এরপরও অনেকে ঘর থেকে বেরিয়েছেন ঢাকা ছাড়ার পথগুলোর উদ্দেশ্যে৷ সেখান থেকে যদি কোনো বাহন মিলে৷গাবতলীতে কোন বাহন মিলেনি৷ পায়ে হেঁটেই তাই যাত্রা শুরু করেছে অনেকই। রাস্তায় অ্যাম্বুলেন্স চলাচলে বাধা নেই৷ কাজেই রোগীর বাহনটিও অনেকের জন্য এখন বাড়ি ফেরার অবলম্বন।

তবুও যেতে হবে
গণপরিবহণ বন্ধ থাকলেও ব্যক্তিগত যানে ঢাকা ছাড়তে কোন বাধা নেই৷ এমন সিদ্ধান্তের পরে রাস্তায় কার, মাইক্রোবাসের সংখ্যা বেড়েছে৷ কিন্তু প্রাইভেট কারে শুধু মালিকরা যাচ্ছেন না৷ অনেক রেন্ট এ কার বা ভাড়ায় খাটা প্রাইভেট কার এই সুযোগে নেমে পড়েছে যাত্রী পরিবহনে৷ মাইক্রোবাস বা কারে গাবতলী থেকে যাওয়া যাচ্ছে পাটুরিয়া ঘাটে৷ তবে গুণতে হবে জনপ্রতি ৫০০ টাকা৷ প্রাইভেট কার না হলে মোটরসাইকেলও আছে৷ রাইড শেয়ারিংয়ে চালানো বাইকাররা স্বল্প দূরত্বে যাত্রীদের পৌঁছে দিচ্ছে৷ কেউ কেউ সেএনজি চালিত অটোরিক্সাতেও রওনা হয়েছেন৷ তবে কতটুকুই আর যেতে পারবেন!

লোকারণ্য ফেরিঘাট
যারা কষ্ট করে পৌঁছাতে পেরেছেন মাওয়া ফেরিঘাটে তাদের চিত্রটা ছিল ভয়াবহ; লোকে লোকারণ্য। হাজারো মানুষের এই ভিড়ে সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার কোন তাড়না বা উপায় নেই৷ – ডিডাব্লিউ

মন্তব্য করুন

Please Login to comment
avatar
  Subscribe  
Notify of