ব্রেকিং নিউজ

আপডেট জুন ২৯, ২০২০

ঢাকা শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২০, ১৯ আষাঢ়, ১৪২৭ , বর্ষাকাল, ১০ জিলক্বদ, ১৪৪১

সড়ক যখন গলার কাঁটা!

দুর্গাপুর (রাজশাহী)

নিরাপদ নিউজ

রাজশাহীর দুর্গাপুরের প্রধান সড়ক বর্তমানে পথচারীদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ তুলেছেন, ওই সড়কটি সংস্কার কাজের কোনো গতি না থাকায় প্রতিদিন হাজার হাজার পথচারি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এই পথে দুর্গাপুর উপজেলার ৮০ ভাগ মানুষ জেলা শহরসহ বিভিন্ন জেলায় যাওয়া-আসা করে থাকেন।

পথচারীদের অভিযোগ, মূলত কাজের ধীরগতির জন্য ভোগান্তি বাড়চ্ছে যাত্রী ও চালকদের। বিকল্প সড়ক না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ভাঙাচোরা-খোঁড়াখুঁড়ি সড়ক দিয়েই চলাচল করছে সকল প্রকার যানবাহন।

স্থানীদের অভিযোগ, কাজের গতি না বাড়লে দুই বছরেও শেষ হবে না সংস্কার কাজ। সেই সাথে কাজের গতি ও মান নিয়ে স্থানীয় লোকজন অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, সড়ক সংস্কার কাজে সঠিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না প্রয়োজনীয় ইট, পাথর, বালি ও বিটুমিনসহ অন্যান্য উপকরণ। অথচ এই সড়কটির কাজের মেয়াদকাল শেষ হচ্ছে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তাহেরপুর থেকে দুর্গাপুর হয়ে উপজেলার পালি বাজার পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘ বছর ধরে ভাঙাচোরা ও সরু ছিল। এতটাই সরু ছিল যে দুটি বাস কিংবা বড় যানবাহন পাশাপাশি চলাচল করতে পারত না। ফলে প্রায়ই ঘটত দুর্ঘটনা। যার কারণে দীর্ঘ বছর পর সড়কটি প্রশস্তের উদ্যোগ নেয় সরকার। এরপর ওই সড়কটি নতুন করে সংস্কারের টেন্ডার আহ্বান করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। সেই সড়কটি টেন্ডারের মাধ্যেমে কাজ শুরু করেন ডন এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। এর পুর্বে টেন্ডারের মাধ্যেমে সড়কটি প্রশস্তের জন্য কেটে ফেলা হয় সড়কের পাশে থাকা হাজার হাজার বিভিন্ন প্রকার গাছ।

বর্তমানে ১২ ফুট প্রশস্ত সড়কটি ১৮ ফুটে উন্নীত করার কাজ চলছে। পরিকল্পিতভাবে কাজ না হওয়ায় এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনকে প্রতিদিন পড়তে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ ও ভোগান্তিতে। প্রায়ই সড়কের বড় বড় গর্তে আটকে যাচ্ছে গাড়ি। খানাখন্দে পাড়ি দিতে গিয়ে বিকল হচ্ছে যানবাহন। ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় নষ্ট হচ্ছে যাত্রীদের। ২০ কিলোমিটার সড়কটি বর্তমানে সংস্কার কাজ কোথাও সম্পন্ন করা হয়েছে আবার কোথাও চলছে কাজ। আবার অনেক স্থানে সংস্কারে কোনো ছোঁয়ায় পড়েনি। এমনটার মধ্য দিয়েই চলছে সড়ক সংস্কার কাজ। বর্তমানে এই উপজেলার মানুষ বিভীষিকার মধ্যে পড়েছেন।

ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার ইমদাদুল হক বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে ঠিকমতো সড়কের কাজে ব্যবহৃত মালামাল পাওয়া যাচ্ছে না। সেই সঙ্গে রয়েছে লেবার সংকট। যার কারণে কাজের গতি অনেকটাই কমে গেছে। তবে যথাসময়ে কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আমাদের প্রতিষ্ঠানটি।

মন্তব্য করুন

Please Login to comment
avatar
  Subscribe  
Notify of