ব্রেকিং নিউজ

আপডেট ১৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড

ঢাকা শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২০, ১৭ আশ্বিন, ১৪২৭, শরৎকাল, ১৪ সফর, ১৪৪২

বিজ্ঞাপন

এটিএন বাংলার ঈদ উল আযহা ২০২০ এর হাইলাইটস

টিভি প্রোগ্রাম

নিরাপদ নিউজ

১০ পর্বের সেলিব্রেটি আড্ডা ‘আনন্দ সময়’
সেলিব্রেটি আড্ডা ‘আনন্দ সময়’
প্রচার- ঈদের দিন থেকে দশম দিন সন্ধ্যা ৬ টা

বিজ্ঞাপন

ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ১০ দিনব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে এটিএন বাংলা। ঈদের বিশেষ অনুষ্ঠানমালায় প্রচার হবে সেলিব্রেটি তারকাদের অংশগ্রহণে ১০ পর্বের বিশেষ আড্ডার অনুষ্ঠান ‘আনন্দ সময়’। ঈদের দিন থেকে দশম দিন পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টায় প্রচার হবে অনুষ্ঠানটি। এবারের আয়োজনে অংশগ্রহণ করেছেন চিত্রনায়ক ওমর সানি, অনন্ত জলিল, আমিন খান, সায়মন, অভিনেতা আনিসুর রহমান মিলন, সজল, নাঈম অভিনেত্রী নাদিয়া, বাঁধন, ভাবনা, সাফা কবীর কণ্ঠশিল্পী আরেফিন রুমি, পড়শী, চিত্রনায়িকা মৌসুমী, মাহিয়া মাহি, বর্ষা, নিপুন, আঁচল এবং চলচ্চিত্রাভিনেতা মিশা সওদাগর।
ভিন্ন আঙ্গিকে সাজানো অনুষ্ঠানটিতে থাকছে ছোট ছোট সব সেগমেন্ট। উপস্থাপকের সাথে আলাপচারিতায় উঠে আসবে নানান তথ্য। দর্শকরা জানতে পারবেন তাঁদের ব্যস্ততা, কাজের অভিজ্ঞতা, সময়ের চ্যালেঞ্জ, স্টেজ পারফর্মেন্স, জীবনের চাওয়া ও প্রাপ্তির সমীকরণ ইত্যাদি। প্রিয় তারকাদের নানা বিষয় নিয়ে ভক্তদের থাকে নানা রকম আগ্রহ। ছোট বা বড় পর্দা কিংবা সঙ্গীত জগত। যে অঙ্গনেরই হোক না কেন ভক্তরা চান প্রিয় তারকাদের মুখের কথা শুনতে। আর এজন্যই ঈদের বিশেষ অনুষ্ঠানমালায় প্রিয় তারকাদের অংশগ্রহণে নির্মিত হয়েছে সেলিব্রেটি শো ‘ঈদ আড্ডা’। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছেন চিত্রনায়ক নিরব ও ইমন। অনুষ্ঠানগুলো পরিচালনা করেছেন শম্পা মাহমুদ ও নন্দিনী ইসলাম।

ঈদের বিশেষ নাটক ‘কথা শুনতে হবে’
এটিএন বাংলার ঈদ অনুষ্ঠানমালায় ঈদের পরদিন রাত ৮.২০ মিনিটে প্রচার হবে ঈদের নাটক ‘কথা শুনতে হবে’। এস এ হক অলিকের রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত নাটকটিতে অভিনয় করেছেন তৌকীর আহমেদ, তারিন, ম আ সালাম, আকাশ আহমেদ, স্মরণ সাহা, লুবনা প্রমুখ।
আরিফ হায়দার অর্থনৈতিক ভাবে খুবই সচ্ছল ব্যক্তি। গ্রামে থাকলেও চাল চলনে বোঝার উপায় নেই। বিরাট বাংলো বাডী, সাজানো গুছানো পরিপাটি চারিদিক। আনন্দ আয়োজনেরও কোনো কমতি নেই। দাপুটে সভাবের আরিফ স্ত্রী রোদেলাকে খুব ভয় পায়। রোদেনা সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে, উচ্চ শিক্ষিত না হলেও লেখাপডা খানিকটা জানে। বাডীর অন্যান্য সবাই রোদেলাকে সমীহ করে চলে। সত্যি কথা বলতে সে ভয় পায়না।
আরিফ ব্যবসার কাজ শেষ করে ঢাকা থেকে ফিরে। সাথে কাজের লোকজন। রোদেলার সামনে পড়তেই শুরু হয় শ্বাসন। এখন করোনার সময় সচেতন থাকতে হবে সবাইকে। রোদেলা আরিফকে সাফ জানিয়ে দেয় আগামী ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টিনএ থাকতে হবে। যেমন কথা তেমন কাজ। ঘরবন্দি হয় আরিফ, বাড়ী যেনো হাসপাতাল। রোদেলাও কাছে আসে না। দরজার বাইরে থেকে কথা হয়। সাস্থবিধি মেনে সবকিছু। ঘর বন্দি থেকে আরিফ পাগলের মতো। রোদেলা কাজে ব্যস্ত থাকলে চুরি করে বাইরে বের হয়ে কাজের লোকদের সাথে কথা বলে আরিফ। বারবার রোদেলার কাছে ধরা পড়ে।
সামনে কোরবানির ঈদ। বরাবরের মতো সবচাইতে বড় গরু কোরবানি দিতে হবে এবারও। আরিফ অস্থির হয়ে উঠে এই করোনার সময় কোথায় বসবে বড় গরুর হাট। চতুর্দিকে লোক লাগিয়ে দেয় আরিফ বড় গরু লাগবেই নইলে মান থাকবে না। এবারও বাধ সাধে রোদেলা তার স্পষ্ট প্রতিবাদ প্রতিযোগিতা করে কখনই কোরবানি হয় না। তাছাড়া করোনার সময় অনেক মানুষ অর্থ কষ্টে আছে, মোটামুটি একটা কোরবানি দিয়ে বাকি টাকা গরীবদের দান করতে বলে আরিফকে। এইবার আরিফ প্রতিবাদে ফেটে পড়ে। সবচাইতে বড় গরুই সে কোরবানি দিবে। কোনো কথা শুনবেনা সে। অপর দিকে রোদেলার ঘোষনা- কথা শুনতেই হবে। অবশেষে রোদেলার জয় হয়। নানা যুক্তির কাছে হার মানে আরিফ।

ড. মাহফুজুর রহমানের একক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘এক পৃথিবী স্বপ্ন দিলে’
সঙ্গীতানুষ্ঠান- এক পৃথিবী স্বপ্ন দিলে
প্রচার- ঈদের পরদিন, রাত ১০.৩০ মিনিট
বাংলাদেশের মিডিয়া জগতের পুরোধা ব্যক্তিত্ব ড. মাহফুজুর রহমান। তারই উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত দেশের প্রথম বেসরকারী স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন বাংলা বিশ্ব বাঙালীর কাছে তুলে ধরছে এদেশের ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে। চ্যানেলটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই তারুণ্যের উচ্ছাসকে তিনি এগিয়ে নিচ্ছেন এটিএন বাংলার মাধ্যমে। তাঁর অনুপ্রেরণায় তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন গানের শিল্পী। সঙ্গীতের প্রতি তাঁর রয়েছে অসম্ভব ভালোবাসা। আর তাইতো নিজেই যুক্ত হয়েছেন গানের ভুবনে। তার গাওয়া গান নিয়ে ২০১৬ সালের কোরবানীর ঈদে প্রচার হয় ‘হৃদয় ছুঁয়ে যায়’ শিরোনামের অনুষ্ঠান। পরবর্তী বছর রোজার ঈদে প্রচার হয়েছে সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘প্রিয়ারে’ এবং কোরবানীর ঈদে প্রচার হয় একক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘স্মৃতির আল্পনা আঁকি’, ‘মনে পড়ে তোমায়’ এবং ‘বলোনা তুমি কার’। গত বছর প্রচার হয় ‘মন থেকে রইলো শুভ কামনা’ এবং ‘একইতো আকাশ দেখি’। এ বছর ঈদ উল ফিতরে প্রচার হয় শিল্পীর একক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘ হিমেল হাওয়া ছুঁয়ে যায় আমায়’। এবার ঈদেও তাঁর গাওয়া গান নিয়ে ঈদের পর দিন রাত ১০.৩০ মিনিটে প্রচার হবে একক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘এক পৃথিবী স্বপ্ন দিলে’। এবারের অনুষ্ঠানে রয়েছে মোট ১০টি গান। অ্যালবামের গানগুলোতে সুরারোপ করেছেন মান্নান মোহাম্মদ ও রাজেশ ঘোষ। গানের কথা লিখেছেন নাজমা মোহাম্মদ, রাজেশ ঘোষ এবং ড. মাহফুজুর রহমান। অ্যালবামে রয়েছে উত্তর দিও, মন ওরে মন, মনে পড়ে, শুধু তুমি, তোমাকে চাই, এক পৃথিবী স্বপ্ন, এখনো রাত জেগে, আকাশের চাঁদ, তোমার মনের মাঝে এবং আজ আমার জন্মদিন চাই শিরোনামের গান।

ঈদের নাটক ‘মুনিরা মঞ্জিল’
এটি এন বাংলা’র ঈদ উল আযহার অনুষ্ঠানমালায় ঈদের তৃতীয় দিন রাত ৮.২০ মিনিটে প্রচার হবে বিশেষ সিচ্যুয়েশনাল কমেডি ‘মুনিরা মঞ্জিল’। এজাজ মুননা’র রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন আনিসুর রহমান মিলন। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আমিরুল ইসলাম চৌধুরী, মুনিরা মিঠু, আনিসুর রহমান মিলন, জাকিয়া বারী মম প্রমুখ।
সব সময় আনন্দে মেতে থাকে মাহির ও মালিহা। দুজনেরই অদ্ভুত কিছু কাজ কারবার আর উপস্থিত বুদ্ধি অনেক বিপর্যয় থেকে বাঁচিয়ে দেয়। লক ডাউনের কবলে মাহির ও তার বোন মালিহা। যখন বাসা ভাড়া দিতে পারছে না তখন তারা উপায় বের করে কি করে বাড়িওয়ালার হাত থেকে আপাতত বেঁচে থাকতে পারবে। বাড়িওয়ালা সত্তরোর্ধ্ব নাজিম হিকমত। এটি তারঁ স্ত্রী (মুনিরা হিকমত) এর বাসা। স্ত্রী প্রয়াত। ছেলে এবং ছেলের বউ দুর্ঘটনায় মারা গেলে একমাত্র নাতনীকে নিজের কাছে রেখে বড় করেছেন। সেই দূর্ঘটনায় নাতনী একটি চোখ হারায়। তারপর থেকে সব সময় নাতনী বাসায় সানগ্লাস পরে থাকে। এটা নিয়ে মাহিরের কৌতুহল। একটা মানুষ ঘরের ভিতর কেন সানগ্লাস পরে থাকে। নাতনীকে মাহির পছন্দ করে। কিন্তু সাহস করে কোনদিন কিছু বলতে পারেনি। নাতনী মাহিরকে পছন্দ করে কিনা তা কোন ভাবেই বোঝা যায় না।
ইতিমধ্যে অফিস থেকে জানতে পারে যে, বেতন আগামী মাস থেকে অর্ধেক পাওয়া যাবে। ছোট বোনটিরও একই অবস্থা। মাহির ও মালিহার এ নিয়ে কোন চিন্তা নেই। তাইতো বাড়িওয়ালা তাগাদা দেয়ার আগেই ভাইবোন নিজেরাই যায়। কিন্তু সব শুনে বাড়িওয়ালা বলে, শোন বাবা আমি ভাড়া অর্ধেক নিতে পারবো না। তুমি বাসা ছেড়ে দাও”। মাহির হঠাৎ চালাকি করে একটা সিদ্ধান্ত নেয় যে বাসার সব ফার্নিচার বিক্রি করে ভাড়ার টাকা শোধ করবে। বাড়িওয়ালার নাতনী সব ফার্নিচার কিনে নেয়। যা দাম হয়েছে তাতে তিন মাসের ভাড়া শোধ হয়ে যাবে। বাসা ছেড়ে যাওয়ার সময় বাড়িওয়ালা তাদের নতুন প্রস্তাব দেয়। শুরু হয় নতুন যাত্রা। সেই যাত্রায় তাদেরকে ভবিষ্যদের মানবিক মানুষ হতে শেখায়।

ঈদ ধারাবাহিক ‘নসু ভিলেন আসল ভিলেন’
এটিএন বাংলায় অনুষ্ঠানমালায় প্রচার হবে ১০ পর্বের ধারাবাহিক নাটক ‘নসু ভিলেন আসল ভিলেন’। ঈদের দিন থেকে দশম দিন পর্যন্ত রাত ৯.২০ মিনিটে প্রচার হবে নাটকটি। বৃন্দাবন দাসের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন সাগর জাহান। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, অপর্ণা, আরফান আহমেদ, তানজিকা আমীন, আখম হাসান, শাহানাজ খুশি, ফজলুর রহমান বাবু, হারুন মাসুদ, ইকবাল, রিমু, রেজা আরো অনেকে।
তিন ভাই নওশের আলী, সমশের আলী, জমশেদ আলী। গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। বাবা মারা যাবার পর উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তিই তাদের একমাত্র আয়ের পথ। তিন ভাই-ই কম বেশী অলস কর্ম বিমুখ। তিন ভাই বিয়ে করেছে-কার বউ বেশী সুন্দরী এ নিয়ে প্রতিযোগিতা এবং কম বেশী বচসা ঝগড়া প্রায় প্রতিদিনের ঘটনা। পক্ষান্তরে বউদের মধ্যেও একই ধরণের দ্বন্দ্ব রয়েছে কোন ভাই সবচেয়ে সুদর্শন। বউয়ে বউয়েও এ নিয়ে ঝগড়া বাধে। এলাকার মানুষজন বেশ উপভোগ করে। নওসেরের বড় দুই ভাই সমশের ও জমশেদ একজন কানে কম শোনে- মেশিন থাকলেও প্রায়ই সেটা খুলে রাখে। আর অন্য ভাই হাই পাওয়ারের চশমা ব্যবহার করতে হয়-চশমা ছাড়া কিছুই দেখতে পারে না সে। তাই তাকে কানা বলেও ডেকে থাকে মানুষ। নওশের আলী যাকে এলাকার সবাই নসু বলে ডাকে-শখের যাত্রাদলে ভিলেনের অভিনয় করায় তার নামের সাথে ভিলেন শব্দটা যুক্ত হয়ে গেছে। উপাধিটা এক সময় উপভোগ্যই ছিলো নওশের আলীর কাছে-কিন্তু বর্তমানে সেটি তার চেহারা এবং কর্মকান্ডের নেতিবাচক গুণ হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিপক্ষ-বিশেষ করে অন্য দুই ভাই। তাদের যুক্তি চেহারা ভালো হলে কি ভিলেনের অভিনয় করতে হয়? সামাজিক ভাবেই বিষয়টি সংক্রামিত হতে থাকে-নসুকে সামাজিক ভাবেও ভিলেন হিসিবে চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়-যা নসু এবং তার স্ত্রীকে প্রচন্ড ভাবে আহত করে। প্রতিক্রিয়াও হয় মাঝে মধ্যে।
নসু ভিলেন বড় ভাবীর সুন্দরী বোন শাহাজাদীকে বিয়ে করে আনার পর মধুচন্দ্রিমা কাটতে না কাটতেই শুরু হয় দ্বন্দ্ব। কখনো ভাইয়ে ভাইয়ে-কখনো বউদের মধ্যে। কখনো আবার দুই বোন এক হয়ে মেজ বউয়ের বিরুদ্ধে। এসব অশান্তিতে নসুও অতিষ্ট হয়ে ওঠে। ইদানিং প্রায়ই তাই বউয়ের সাথে ঝামেলা ঠোকাঠুকি বেঁধে যায়। স্ত্রী তাকে বাবার বন্দুকের ভয় দেখায়। নসু ভিলেনের হাসি দিয়ে বলে তোকে মারতে আমার বন্দুক লাগবে না। তার এই ভিলেনী সংলাপই কাল হয়-রাগে ভয়ে ঘর ছেড়ে চলে যায় স্ত্রী। শুরু হয় নতুন জটিলতা…
সময়ের পরিবর্তনে বর্তমানে যাত্রাপালা প্রায় বন্ধই হয়ে গেছে। নসুর ভেতরে অভিনয় করার আকাংখা রয়েছে-তাই ভীষণ কষ্ট বুকে চাপা দিয়ে রাখে। কিন্তু স্ত্রী মনে মনে খুশি হয় কারণ তাকে দিনের পর দিন গভীর রাত পর্যন্ত রিহার্সেল কিংবা পালার কারণে রাত জেগে অপেক্ষায় বসে থাকে হয় না। তবে নসুর ভেতরের কষ্টটা এক সময় তার আচরণে প্রকাশ পেতে থাকে তার মেজাজ খিটমিটে হয়ে যেতে থাকে দিন দিন। পরিবারের অন্য ভাইদের সাথেও দূরত্ব বাড়তে থাকে। সবার সাথেই তার দ্বদ্ব হয় রাস্তাঘাটে দোকানে সর্বত্র। কারো কথাই যেন নসুর সহ্য হয় না। ধীরে ধীরে সে যেন প্রকৃত ভিলেন হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠতে থাকে সবার কাছে….

ঈদের বিশেষ নাটক ‘জেনারেটর’
এটিএন বাংলার ঈদ উল আযহার অনুষ্ঠানমালায় ঈদের চতুর্থ দিন রাত ৮.২০ মিনিটে প্রচার হবে ঈদের বিশেষ নাটক ‘জেনারেটর’। শফিকুর রহমান শান্তনুর রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন সৈয়দ শাকিল। অভিনয়ে সজল ও সারিকা।
বিয়ের জন্য মেয়ে দেখতে গিয়ে নাফিসার সাথে পরিচয় আনাফের। আনাফ সুদর্শন যুবক। একটা ভালো চাকরি করছে। নাফিসাকে প্রথম দেখাতেই তার পছন্দ হয়ে যায়। কিন্তু নাফিসা তাকে একটা ব্যক্তিগত প্রশ্ন করে। সে ভাবে, তার আগে প্রেম ছিল কিনা এসব বিষয়ে করবে। সে প্রশ্নের আগেই বলে, সে কারো সাথে এ্যাফেয়ার করেনি। এমন কি, তার কোন জাস্ট ফ্রেন্ডও ছিল না। নাফিসা বলে, এসব তো এখন থাকতেই পারে। ওসব নিয়ে তার মাথা ব্যথা নেই। তার মাথা ব্যথা – ছেলে ঘুমালে তার জেনারেটর অন থাকে কিনা? আনাফ প্রথমে প্রথমে বুঝতে পারে না। পরে বোঝে, জেনারেটর মানে নাক ডাকা। ভেতরে ভেতরে আনাফ কুচকে গেলেও বাইরে প্রকাশ করে না। সে ঘুমালে নাক ডাকে। কিন্তু নাফিসার কাছে অস্বীকার করে। বিয়ের কথা পাকা হয়ে যায়। তার ছোটমামা আশ্বস্ত করে, তার নাক ডাকার সমস্যা সে সমাধানের ব্যাবস্থা করবে। এদিকে নাফিসা জেনে ফেলে, আনাফ তাকে মিথ্যা বলেছে। সে আনাফকে রিমান্ডে ডেকে জিঙ্গাসাবাদ করলে একপর্যায়ে আনাফও স্বীকার করে ফেলে। সে তো রেগে পারলে বিয়েই ভেঙে দেয়। কিন্তু আনাফের অসহায় মুখের দিকে তাকিয়ে সে আনাফকে এক সপ্তাহের আল্টিমেটাম দেয়। এরমধ্যে যদি সে তার নাক ডাকার বদভ্যাস দর করতে পারে, তাহলে বিয়ে হবে। নইলে বিয়ে ভেঙে দেয়া হবে। নাক ডাকা ঠিক করতে এলোপ্যাথি হোমিওপ্যাথি সহ তুক তাক ফকির বাবা ডেকেও কোন সুবিধা পায় না আনাফ। এসবের মধ্যে দিয়েই তাদের বিয়ে হয়ে যায়। বাসর রাতে দেখা যায়, নাফিসা ঘুমিয়ে নাক ডাকছে। আনাফ বিরক্ত মুখে বসে আছে। নাক ডাকার শব্দে ঘুমাতে পারছে না। একটু পরে দেখা যায়, আনাফ ও নাফিসা দুজনই ঘুমিয়ে আছে। কিন্তুু বাড়িসুদ্ধ মানুষ তাদের জেনারেটরের শব্দে ঘুমাতে পারছে না।

‘আমার মা’ ছবির টিভি প্রিমিয়ার
পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা ছায়াছবি
প্রচার- ঈদের দিন থেকে ১০ম দিন
সকাল ১০.৩০ মিনিট ও দুপুর ৩ টা
বর্ণিল সব আয়োজনে ঈদ অনুষ্ঠান প্রচার করবে দেশের প্রথম বেসরকারী স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল এটিএন বাংলা। অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে নাটক, টেলিফিল্ম, ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান, নৃত্যানুষ্ঠান, সঙ্গীতানুষ্ঠান, শিশুতোষ অনুষ্ঠান, সেলিব্রেটি শো, রম্য ম্যাগাজিন, একক নাটক, ধারাবাহিক নাটক সহ বিবিধ অনুষ্ঠান। তবে এসব অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এবারের ঈদে একটি ছবির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার সহ ২০টি বাংলা চলচ্চিত্র প্রচার করবে চ্যানেলটি। দশ দিনব্যাপী ঈদ আয়োজনের প্রতিদিনই প্রচার হবে দুটি করে বাংলা ছায়াছবি। একটি প্রচার হবে সকাল ১০.৩০মিনিটে আর অন্যটি দুপুর ৩ টায়। ঈদের তৃতীয় দিন দুপুর ৩ টায় প্রচার হবে পূর্ণদৈর্ঘ্য ছায়াছবি ‘আমার মা’ এর টিভি প্রিমিয়ার। শাহরিয়ার নাজিম জয় পরিচালিত এ চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন ডি এ তায়েব, ববি, আনোয়ারা, তানহা তামান্না, কল্যাণ, হুমায়রা হিমু, শাহরিয়ার নাজিম জয় প্রমুখ। টিভি প্রিমিয়ারের পাশাপাশি এবারের ঈদ উল আযহা উপলক্ষ্যে মুক্তি পাচ্ছে চলচ্চিত্রটি। করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মেই মুক্তি পাবে মধ্যবিত্তের জীবনের উত্থান-পতন আর পারিবারিক মমতার গল্প নিয়ে নির্মিত এই চলচ্চিত্র। ব্যবসায়ী আসিফের জীবনের বাঁক বদল শুরু হয় ব্যবসায় ভরাডুবির পর থেকে। ঢাকা ছেড়ে সপরিবারে প্রামে ফিরতে বাধ্য হয় আসিফ। মাতৃপ্রেমের কারণে স্ত্রীর সঙ্গে মনোমালিন্যের সূত্রপাত। তবে দিনশেষে মায়ের মমতার জয়ের গল্প আমার মা।
এ চলচ্চিত্রটি ছাড়াও এটিএন বাংলার ঈদ অনুষ্ঠানমালায় প্রচার হবে ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী’, ‘বসগিরি’, ‘হায় প্রেম হায় ভালবাসা’, ‘নাম্বার ওয়ান শাকিব খান’, ‘মন যেখানে হৃদয় সেখানে’, ‘প্রেমে পড়েছি’, ‘রাজা ৪২০’, ‘জান কোরবান’, ‘কোটি টাকার প্রেম’, ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী-২’, ‘নিঃশ্বাস আমার তুমি’, ‘আমার বুকের মধ্যিখানে’, ‘মনের ঘরে বসত করে’, ‘প্রিয়া আমার জান’, ‘আরো ভালোবাসবো তোমায়’, ‘বিয়ের প্রস্তাব’, ‘একবার বলো ভালোবাসি’, ‘টিপ টিপ বৃষ্টি’ এবং ‘মনের জ্বালা’ শিরোনামের চলচ্চিত্র।

নাটক ‘সেদিন বৃষ্টি এসেছিল’
এটিএন বাংলায় ঈদের ৭ম দিন রাত ৮.২০ মিনিটে প্রচার হবে বিশেষ নাটক ‘সেদিন বৃষ্টি এসেছিল’। ফারিয়া হোসেনের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন এমদাদুল হক খান। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন তারিন, তানভীর, নাবিলা প্রমুখ।
নাটকের গল্পে দেখা যাবে- ১৯/২০ বছরের তিথি একটু বেশি সাধারণ, হয়তো আত্মবিশ্বাসের অভাব। ওর পাশে নীলা খুব বেশি স্মার্ট। মধ্য চল্লিশের নীলার সাথে যার পরিচয় হয়, সেই মুগ্ধ হয়। তিথির প্রতি নীলার ভালোবাসা অদ্ভুত রকমের। কখনও বন্ধু, কখনও বোন আবার কখনও কঠোর অভিভাবক। তিথি নীলাকে মিমি ডাকে। ওর মায়ের বোন, অর্থাৎ খালা। কিন্তু সম্পর্কের চেহারার বাইরে দুজনার সম্পর্ক। কিন্তু তিথির মনে একটা আফসোস, ও যদি সত্যিকারের মায়ের কাছে থাকতো।
তিথি ভালোবাসে পিয়ালকে। কিন্তু দুজনার মাঝে বিয়ে, ভবিষ্যত নিয়ে কোন কথা হয়নি। নীলা বুঝতে পারে তিথির জীবনে কেউ আছে। তাই সে পিয়ালকে আসতে বলে। দেখে ভালোও লাগে। অন্যদিকে পিয়ালও নীলার ব্যক্তিত্ব দেখে মুগ্ধ হয়। পিয়াল নীলাকে কুশি করার জন্য ফ্ল্যাটারি করে কথা বলে। এটা তিথির ভালো লাগে না। পিয়াল তিথি’র মিমিকে খুশি করার জন্য এসব করলেও তিথির তা পছন্দ হয় না। পিয়াল তিথিকে বোঝানোর চেষ্টা করে কিন্তু সে বুঝতে চাই না। এক সময় তিথি পিয়ালের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। বাধ্য হয়ে পিয়াল সবকিছু নীলাকে জানায়। নীলা তিথির সাথে কথা বলে। তিথি তার মায়ের সম্পর্কে জানতে চায়। এরপরই শুরু হয় নাটকীয়তা।

ঈদ ম্যাগাজিন “ঈদের বাজনা বাজেরে”
এটিএন বাংলার বিশেষ ঈদ অনুষ্ঠানমালায় খন্দকার ইসমাইল এর উপস্থাপনা ও পরিচালনায় বর্ণাঢ্য আলো ঝলমলে সেটে জমকালো পরিবেশনা আর ব্যতিক্রমী সব আয়োজন নিয়ে সাজানো হয়েছে বিশেষ ঈদ ম্যাগাজিন “ঈদের বাজনা বাজেরে” । ঈদ মানে সবার মাঝে আনন্দ বিলিয়ে দেয়া। ঈদ মানে সবাই মিলে সুন্দর থাকা। যুগে যুগে এই ঈদ উদযাপনে এসেছে নানান পরিবর্তন। ঈদ হচ্ছে সর্বশ্রেষ্ঠ আনন্দের নাম । তাই বিনোদনের চাহিদা থাকে অনেক বেশি । দর্শকদের ব্যাপক বিনোদনের কথা চিন্তা করে সাজানো হয়েছে “ঈদের বাজনা বাজেরে”।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন জনপ্রিয় ব্যান্ড ফিডব্যক। ঈদ নিয়ে আরও একটি বিশেষ গান এ অংশগ্রহন করেন এ সময়ের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী রাফাত,মুহিন,সাব্বির, আয়েশা মৌসুমি , সাবা , লেমিস ও লামি গানটির কথা লিখেছেন দেলওয়ার আরজুদা শরফ ও সুর করেছেন অভি আকাশ সঙ্গীত মুশফিক লিটু। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন অংশশে রয়েছে অপূর্ব ও তার দলের অংশগ্রহনে ফায়ার ড্যান্স । জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী চন্দন সিনহা ও সিঁথি সাহার গানের সাথে নৃত্যে অংশগ্রহণ করেন জনাপ্রিয় নৃত্য জুটি লিখন ও নাদিয়াসহ আরও ৫০ জন নৃত্যশিল্পী। ঈদ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমসাময়িক ও হাস্যরসাত্মক বিভিন্ন স্কীড নিয়ে সাজানো হয়েছে ঈদের বাজনা বাজেরে। বিশেষ ম্যাগাজিন “ঈদের বাজনা বাজেরে” প্রচারিত হবে ঈদের দশম দিন রাত ১০.৩০ মিনিটে এটিএন বাংলায়।

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x