ব্রেকিং নিউজ

আপডেট ৫ মিনিট ৪ সেকেন্ড

ঢাকা মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০, ৯ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, হেমন্তকাল, ৯ রবিউস সানি, ১৪৪২

বিজ্ঞাপন

বিস্ময়কর হলেও সত্য: এই গাড়ির নাম ‘কুত্তা গাড়ি’! চলে এই দেশের সড়কেই

অনলাইন ডেস্ক

নিরাপদ নিউজ

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় এক ধরনের মালমাল বহনকারী গাড়ি চলে। বিস্ময়কর হলেও  সত্য যে এই গাড়ির নাম কুত্তাগাড়ি। কেন কিভাবে এই নামকরণ হলো সেটা স্পষ্ট না হলেও স্থ্যানীয়দের সঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন মত পাওয়া গেছে। তবে সকলেই এক জায়গায় স্থির তা হলো এই গাড়ির সামর্থ। যে কোনো গাড়ি যে কোনো জায়গায় যেতে পারে না, এই ‘কুত্তা গাড়ি’ সবখানেই যেতে পারে। এটার আসল না লাটাহাম্বার- এমনটাই জানা গেছে স্থানীয় সূত্রে।

বিজ্ঞাপন

গাড়ির শক্তি বেশি এই জন্যই নাকি গাড়ির নাম কুত্তা গাড়ি। আবার কেউ বলছেন এই গাড়ি পানির মধ্যেও নেমে চলতে পারে। অর্থাৎ অর্ধেক ডুবে গেলে ও নাকি চলতে পারে, এমন বৈশিষ্টের জন্যও নাকি গাড়িটিকে কুত্তা গাড়ি বলা হয়। তবে এই গাড়িকে আসলেই উঁচু নিচু খালবিল এলাকায় পৌঁছে যেতে দেখা গেল। ইট মাটি ও মালামাল বহনে সক্ষম কুত্তা গাড়ি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয় মাটি ভরাটের কাজে।

এই গাড়িতে ৯ থেকে ১০ টন মালামাল নাকি খুব সুন্দরভাবেই ধরে যাবে। তবে সাইজে ছোটও কিছু গাড়ি দেখা যায়।

কবে এই গাড়ি আবিস্কার হয়েছে এই বিষয়ে জানা যায় খুব বেশিদিন আগে এই গাড়ির প্রচলন ঘটেনি। সাত থেকে আট বছর আগে এই গাড়ির প্রচলন শুরু হয় উল্লাপাড়ায়। উল্লাপাড়ার বাইরে এই গাড়ি তেমনটা দেখা যায় না। তবে নছিমন করিমনের পাশপাশি কুত্তাগাড়ি প্রচুর পরিমাণে উল্লাপাড়ায় রয়েছে। এর আবিস্কারক কে তা জানা যায়নি। এই গাড়ি নিয়ে সংবাদ মাধ্যমেও তেমন কণ খবর নেই।

তবে শাইখ সিরাজ এই গাড়ির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে টেলিভিশন চ্যানেলে অনুষ্ঠান প্রচার করেছে। ঢাকার ফটোগ্রাফার ফিরোজ চৌধুরী এই গাড়ি নিয়ে একটি বিশ্লেণমূলক ভিডিও বানিয়েছেন। যা সোশ্যাল মিডিয়ার মানুষদেরকে বেশ আকৃষ্ট করেছে। গাড়িটি বানাতে খরচ হয় সাড়ে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার মতো।

একজন স্থানীয় ব্যক্তির ভাষ্য, কুত্তা (কুকুর) যেমন সব জায়গায় যায় এই গাড়িও সব জায়গায় যায়, মূলত এই গাড়িকে এই কারণেই কুত্তা গাড়ি হিসেবে অভিহিত করা হয়। অভিহিত বললে ভুল হবে। এই গাড়ির নাম দেওয়া হয়েছে কুত্তা গাড়ি, অন্য নামে কেউ চিনবে না।

কুত্তা গাড়ির ইঞ্জিন মূলত একবারে সামনে উন্মুক্ত। স্থানীয়ভাবে তৈরি এই গাড়ির জন্য শ্যালো মেশিন দিয়ে এর ইঞ্জিন তৈরি করা হয়।  অশ্বশক্তির শ্যালো মেশিনের ওপর নির্ভর করে এর কর্ম দক্ষতা। এর যেমন ইতিবাচক দিক রয়েছে তেমনই এই গাড়ির নেতিবাচক দিকও রয়েছে। স্থানীয়ভাবে তৈরি এই গাড়ি দ্বারা অনেক দুর্ঘটনার খবরও সংবাদ মাধ্যমে এসেছে।

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x