ব্রেকিং নিউজ

আপডেট ১৩ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২১, ১৪ মাঘ, ১৪২৭, শীতকাল, ১৪ জমাদিউস সানি, ১৪৪২

বিজ্ঞাপন

এমসি কলেজে গনধর্ষণ: ডিএনএ রিপোর্টে ৪ আসামির সংশ্লিষ্টতা মিলেছে

জহিরুল ইসলাম মিশু,সিলেট ব্যুরো

নিরাপদ নিউজ

আলোচিত সিলেট মুরারীচাঁদ কলেজ (এমসি) ছাত্রাবাসের আঙ্গিনায় প্রাইভেট কারের ভেতর স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনার দুই মাস পর পুলিশের হাতে এসেছে ডিএনএ রিপোর্ট। রিপোর্টে ধর্ষণের সঙ্গে চারজনের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে ডিএনএ টেস্টে।অন্যরা ধর্ষণে সহায়তা করেছেন।

বিজ্ঞাপন

আলোচিত এই মামলার আসামিদের ডিএনএ টেস্টের প্রতিবেদনে এসব তথ্য মিলেছে। পুলিশ এখন মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিলের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে।

যে চারজনের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে তাঁরা হলেন- সাইফুর রহমান, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি ও অর্জুন লস্কর।

এ বিষয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্তি উপ-কমিশনার (মিডিয়া) বি এম আশরাফ উল্লাহ বলেন, আদালতে আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়া ছিল মামলার তদন্তের মূল অগ্রগতি। অভিযোগপত্র দাখিলে ডিএনএ টেস্টের অপেক্ষা ছিল। সম্প্রতি ডিএনএ টেস্টের প্রতিবেদন হাতে এসেছে। এখন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের প্রস্তুতি চলছে।

এর আগে গত ১ অক্টোবর ও ৩ অক্টোবর ২ দিনে এ মামলায় গ্রেপ্তার ৮ জনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নমুনা সংগ্রহের পর পাঠানো হয় ঢাকার ল্যাবে। সেখান থেকে নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট প্রথমে আদালতে এসে পৌঁছায়। পরবর্তীতে এ রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার হাতে আসে।

উল্লেখ্য গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন এক গৃহবধূ (২৫)। ছাত্রাবাসের আঙ্গিনায় স্বামীকে আটকে রেখে প্রাইভেট কারের ভেতর ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করা হয়। ওই রাতেই ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর স্বামী বাদি হয়ে মহানগরের শাহপরান থানায় মামলা করেন।

এদিকে, মামলা দায়েরের পর সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থান থেকে এজাহারভুক্ত আসামি সাইফুর রহমান, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, অর্জুন লস্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান ওরফে মাসুম এবং সন্দেহভাজন আসামি মিসবাউর রহমান ওরফে রাজন ও আইনুদ্দিন নামের আরও দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া সবাই এমসি কলেজ ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।
এদিকে গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত চার আসামির ছাত্রত্ব এবং সার্টিফিকেট বাতিল করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। পাশাপাশি তাদের স্থায়ীভাবে এমসি কলেজ থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছে। বহিষ্কৃতরা হলেন, সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, মাহফুজুর রহমান মাসুম ও রবিউল হাসান।

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x