ব্রেকিং নিউজ

আপডেট এপ্রিল ২১, ২০২১

ঢাকা শুক্রবার, ৭ মে, ২০২১, ২৪ বৈশাখ, ১৪২৮, গ্রীষ্মকাল, ২৪ রমজান, ১৪৪২

বিজ্ঞাপন

হেফাজতের বিবৃতি: খালেদা জিয়ার সঙ্গে বাবুনগরীর কোন বৈঠক হয়নি

অনলাইন ডেস্ক

নিরাপদ নিউজ

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরের ঘটনার এক সপ্তাহ আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে হেফাজতের বর্তমান আমীর আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর গোপন বৈঠকের যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তার প্রতিবাদ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। বুধবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ওই সংবাদকে মিথ্যাচার বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।

বিজ্ঞাপন

হেফাজতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর হাফেজ মাওলানা তাজুল ইসলামের পক্ষে এই প্রতিবাদ পাঠানো হয়েছে। যেখানে মাওলানা তাজুল ইসলাম বলেন, হেফাজতের শীর্ষ নেতৃত্বকে কলঙ্কিত করতে মুফতি ফখরুল ইসলামের কাছ থেকে পুলিশ মিথ্যা স্বীকারোক্তি নিয়েছে। এই স্বীকারোক্তি একজন সর্বজন শ্রদ্ধেয় শীর্ষ আলেমের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছুই নয়। দেশবাসী এমন মিথ্যা স্বীকারোক্তি ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।

তিনি আরও বলেন, হেফাজত আমীরের কাছ থেকে আমি জেনেছি- ২০১৩ সালে রিমান্ডে পুলিশকে বলেছেন, খালেদা জিয়ার সঙ্গে বাবুনগরীর কোনোদিন সামনা-সামনি দেখা পর্যন্ত হয়নি। অথচ মুঈনুদ্দীন রুহি ও ফখরুল ইসলাম এ বিষয়ে মিথ্যাচার করেছেন। তারা এই দাবির স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারবে না।

মাওলানা তাজুল ইসলাম বলেন, রমজান মাসে আলেম-ওলামার ওপর পুরনো মিথ্যা মামলা সচল করে দমন-পীড়ন চালানো হচ্ছে। গুটিকয়েক নীতি-আদর্শচ্যুত সাবেক নেতাকে এতে দাবার গুটি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

অথচ ২০১৩ সাল বেশি দিন আগের ঘটনা নয়। এখনও ইন্টারনেটে সার্চ দিলে সহজেই জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত তখনকার সংবাদে খুঁজে পাওয়া যাবে, সে সময় কোন নেতার কী ভূমিকা ছিল।

প্রতিবাদলিপিতে সরকার ও প্রশাসনের প্রতি আলেম-ওলামাদের ওপর দমন-পীড়ন, মিথ্যা মামলা এবং অপবাদ বন্ধের দাবি জানান মাওলানা তাজুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, হেফাজতের তৎকালীন ঢাকা মহানগর প্রচার সম্পাদক মুফতি ফখরুল ইসলামের আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বরাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয় যে, ৫ই মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম অবরোধ কর্মসূচি পালন করতে যাওয়ার ঠিক এক সপ্তাহ আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছিলেন হেফাজতের তৎকালীন মহাসচিব ও বর্তমান আমির জুনায়েদ বাবুনগরী।
এ ছাড়া, ৫ মে’র সেই সহিংসতায় তৎকালীন বিএনপি ও জাময়াতের একাধিক শীর্ষ নেতা অর্থ সহায়তা দিয়েছিলেন। সহিংসতায় অংশ নিয়েছিলেন বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরাও।

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x