English

32 C
Dhaka
রবিবার, জুন ২৩, ২০২৪
- Advertisement -

লক্ষ্মীপুরে পশু প্রদর্শনীতে চমক, হেঁসে দাঁত দেখায় ‘আদুরী’

- Advertisements -

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে খামারের গরু প্রদর্শনীতে বিশেষ চমক লক্ষ্মীপুরে। যে কোনো লোকের কথায় হেঁসে উঠে দাঁত দেখায় আদুরী নামে কোরবানির একটি পশু। শধু তাই নয় মায়ের যত্নে সন্তানের মতো লালন পালন করা আদুরী ছাড়াও এখানে সুন্দরী ও পাঠান নামের বিশাল আকৃতির গরু উঠতে-বসতে বললে শ্রমিকদের কথা শোনে বলে জানায়।

এতে করে শিশু-কিশোরদের পাশাপাশি ওই খামার জুড়ে এখন উৎসুক জনতার ভিড় চলছে। ঘটনাটি জেলা সদরের সাহেব বাজার এলাকার সিক্স ফার্মার নামীয় খামারে।

সরেজমিন সদর উপজেলার সাহেব বাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে স্থানীয় সিক্স ফার্মার নামীয় একটি খামারের গরু প্রদর্শনী চলছে ওই বাজারে। যেখানে ৩৫৫ কেজি ওজনের লাল রংয়ের নেপালি গীর জাতের একটি গরু নিয়ে হৈ চৈ মানুষের। গরুটিকে ঘিরে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সবার আগ্রহ। যার নাম রাখা হয়েছে আদুরী। দাঁত দেখাতে বললেই হেঁসে উঠে দাঁত দেখায় গরুটি।

Advertisements

খামারিদের পক্ষ থেকে এ গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। এর পাশেই রয়েছে শাহীওয়াল জাতের ৫২৫ কেজি ওজনের সুন্দরী নামীয় গরু। যার মূল্য ৫ লাখ ও ৪৮০ কেজি ওজনের পাঠান নামে আরেকটি গরু। যার মূল্য চাওয়া হচ্ছে ৪ লাখ টাকা।

প্রদর্শনীতে এছাড়া দেশীয় ও অন্যান্য জাতের ছোট বড় ৭০টি গরু রয়েছে। ৪-৫ জন শ্রমিক এসব গরুর সেবা-যত্নে ব্যস্ত সময় পার করছেন এখন। কেউ গোসল করাচ্ছেন, কেউবা খাবার (খড়, ঘাস, খৈল, ভূষি ও পানি) দিচ্ছেন।

শ্রমিকরা জানান, এসব গরু প্রাকৃতিক খাবারে মায়ের যত্নে সন্তানের মতো করে লালন পালন করছেন তারা। কোরবানকে টার্গেট করে এসব গরু নিরলসভাবে সেবা যত্নে প্রাকৃতিক খাবারে বড় করেছেন তারা। তাই এসব গরু এখন মানুষের মতো আচরণ করে, শুতে, বসতে উঠতে বললে তারা কথা শোনে।

এর মধ্যে আদুরী নামের গরুটি দাঁত দেখাতে বললে হেঁসে উঠে দাঁতও দেখায়। গরুগুলো বিক্রি করতে খারাপ লাগে তবুও মালিকের লাভের আশায় বিক্রি করতে হবে, মালিক খুশিতো আমরা খুশি এমন অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন তারা।

Advertisements

এদিকে, খামারি মালিকপক্ষের বেলাল ও রাজীব বলেন, এবার আমাদের খামারে কোরবানি ঈদকে টার্গেট করে ৭০টি গরু প্রস্তুত করা হয়েছে। ছোট দেশী গরু ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও বড় শাহীওয়াল এবং নেপালি গরুসহ নানা জাতের গরু বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকায়। এ পর্যন্ত তাদের ২৬টি গরু বিক্রি হয়েছে জানিয়ে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত সব গরুই বিক্রি হওয়ার ও ভালো লাভবানে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন তারা।

এদিকে, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা কুমুদ রঞ্জন মিত্র বলেন, জেলায় এবার কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৬৬ হাজার ৯১৫টি, স্থানীয় বিভিন্ন খামারে উৎপাদিত পশুর সংখ্যা ৬৩ হাজার ৬৯৪টি। অপর চাহিদার গরু অন্যান্য জেলা থেকে সংগ্রহ করা হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে, জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান ও পুলিশ সুপার তারেক বিন রশিদ জানান, জেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলে অর্ধ শতাধিক পশুর হাট বসবে। এসব হাটকে ঘিরে কোনোভাবেই সড়কে যানজট সৃষ্টি যেন না হয়, মলম পার্টি ও ছিনতাই রোধে জনগণের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে কাজ করবে।

সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ে থাকবে তারা। এছাড়া হাটগুলোতে জাল নোট সনাক্তের মেশিনও থাকবে বলে জানান তারা। কোনোভাবেই অনুমোদনহীন কোনো হাট বসলেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান প্রশাসনের কর্তারা।

সাবস্ক্রাইব
Notify of
guest
0 মন্তব্য
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন