চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমু হত্যা মামলায় তার স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল ও তার সহযোগী এস এম ফরহাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুরকরেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নুসরাত জাবীন নিম্মী জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন।
আসামিদের পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাসুম মিয়া জামিন আবেদন করেন।রাষ্ট্রপক্ষে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আক্তার হোসেন জামিনের বিরোধিতা করেন।
আজ মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ছিল। তবে রাষ্ট্রপক্ষ কোনো সাক্ষীকে আদালতে হাজির করতে পারায় আগামী ১৫ এপ্রিল সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী দিন ঠিক করেছেন আদালত।
২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে স্থানীয়ভাবে সংবাদ পেয়ে কলাতিয়া ফাঁড়ির পুলিশ এবং কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও ঢাকার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কেরানীগঞ্জ সার্কেল) হযরতপুর ইউনিয়ন পরিষদের আলীপুর ব্রিজ থেকে ৩০০ গত উত্তর পাশে পাকা রাস্তা সংলগ্ন ঝোপের ভেতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় অজ্ঞাতনামা ৩২ বছর বয়সী এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করার জন্য আঙ্গুলের ছাপ নেয়া হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে মৃতদেহের নাম পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
তদন্তকালে পুলিশ জানতে পারে, মরদেহটি চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর। দাম্পত্য কলহের জেরে ১৬ জানুয়ারি সকাল আনুমানিক ৭-৮ টার মধ্যে যেকোনো সময় খুন হন শিমু। শিমুকে হত্যার ঘটনায় তার ভাই হারুনুর রশীদ কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি তদন্ত করে ওই বছরের ২৯ আগস্ট কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম দুই জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন। একই বছরের ২৯ নভেম্বর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। এখন পর্যন্ত মামলাটিতে ১৯ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।
