English

28 C
Dhaka
বুধবার, নভেম্বর ৩০, ২০২২
- Advertisement -

৩ দিনের রিমান্ডে পি কে হালদার

- Advertisements -

বাংলাদেশ থেকে পালানো প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ভারতের ব্যাঙ্কশাল স্পেশাল সিবিআই কোর্ট। শনিবার (১৪ মে) দিবাগত গভীর রাতে পি কে হালদারসহ ছয়জনকে ব্যাঙ্কশাল সিবিআই কোর্টে হাজির করা হয়। এরপর আদালত তাদের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রশান্ত কুমার হালদারকে (পি কে হালদার) গতকাল শনিবার গ্রেপ্তার করা হয়।

Advertisements

আটক করা হয়েছে তাঁর দুই ভাইকেও। ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অশোকনগরের একটি বাড়ি থেকে পি কে হালদারকে গ্রেপ্তার করে ইডি।

বাংলাদেশের এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং অর্থপাচার মামলার পলাতক আসামি পি কে হালদার। তাঁর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা লুটপাট ও পাচারের অভিযোগে অন্তত ৩৪টি মামলা রয়েছে। পি কে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।

Advertisements

পি কে হালদার তাঁর নাম বদলে শিবশঙ্কর হালদার নামে সেখানে বাস করছিলেন। ইডি এক বিবৃতিতে জানায়, জালিয়াতির মাধ্যমে শিবশঙ্কর নামে রেশন কার্ড, ভোটার আইডি কার্ড, স্থায়ী হিসাব নম্বর ও আধার কার্ড তৈরি করিয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, পি কে হালদারের সঙ্গে আটক তাঁর দুই সহযোগী হলেন প্রীতিশ কুমার হালদার ও প্রাণেশ কুমার হালদার। তাঁরাও পি কে হালদারের মতো জালিয়াতি করে ভোটার আইডি কার্ডসহ বিভিন্ন ধরনের কার্ড তৈরি করিয়েছেন। শুধু তা-ই নয়, আটক ব্যক্তিরা ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে কাগুজে প্রতিষ্ঠান খুলে কলকাতার বিভিন্ন নামিদামি এলাকায় স্থাবর সম্পত্তি কিনেছেন।

ইডির একজন কর্মকর্তা বলেন, অভিযুক্তরা এসব সম্পত্তি কিনতে কাগুজে প্রতিষ্ঠানগুলোর নামে বিভিন্ন ঋণ নিয়েছেন। তবে ব্যাংকগুলো বিষয়টি বুঝতে পেরে বাংলাদেশ পুলিশের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটকে জানায়। পরে বাংলাদেশ যোগাযোগ করে ভারত সরকারের সঙ্গে।

সাবস্ক্রাইব
Notify of
guest
0 মন্তব্য
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন