শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের ঘটনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক এমডি সাফিকুর রহমানের স্ত্রী বিথী আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সাত দিনের রিমান্ড শেষে আসামিকে আদালত হাজির করে পুলিশ। এরপর তিনি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মতি হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক রোবেল মিয়া। পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক তাহমিনা আক্তার গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারনামীয় আসামি বিথীকে পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করে থানায় নিয়ে আসা হয়। আসামিকে থানা হাজতে রেখে মামলার ঘটনা সংক্রান্ত হাইকোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আসামি মামলার ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন বলে স্বীকার করেন। আসামি আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে ইচ্ছা পোষণ করেন।
মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামির স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা প্রয়োজন উল্লেখ করে আবেদনে আরও বলা হয়, মামলার ব্যাপক তদন্ত অব্যাহত আছে। মামলার তদন্তকার্য সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে জেলহাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।
এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৩টায় উত্তরা ৯নং সেক্টরের বাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করেন উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ। পরদিন বিমানের সাবেক এমডি সাফিকুর রহমান ও তার স্ত্রী বিথীসহ ৪ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
এদিকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার আবেদন করেও শেষ পর্যন্ত জবানবন্দি দেননি সাফিকুর রহমান। তবে এই মামলার অপর আসামি গৃহকর্মী মোছা. সুফিয়া খাতুন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ওইদিন তাদের দুজনকেও কারাগারে পাঠানো হয়।
