ভারতের বয়সভিত্তিক চার দিনের ম্যাচের টুর্নামেন্ট কর্নেল সিকে নাইডু ট্রফিতে (অনূর্ধ্ব–২৩ ক্রিকেট) ইতিহাস গড়েছেন ঝাড়খন্ডের অধিনায়ক রাজান দীপ। চারশো রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে তোলাপাড় ফেলে দিয়েছেন তিনি। মেঘালয়ের বিপক্ষে দুর্দান্ত এই ইনিংসে ৪৩টি চারের সঙ্গে ৭টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন রাজান।
চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৩৮৭ বলের ম্যারাথন ইনিংস খেলেন ঝাড়খন্ডের অধিনায়ক। এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে ৪০০ রানের মাইলফলক ছুঁলেন তিনি।
রাজানের ব্যাটে ভর করেই ৭০০ রানের বিশাল সংগ্রহ পেয়েছে ঝাড়খন্ড। জবাবে দ্বিতীয় দিন শেষে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে মেঘালয়। ৭৫ রান করতেই হারিয়েছে ৭ উইকেট।
তবে শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না ঝাড়খান্ডের জন্য। দলীয় স্কোর ৩০ পেরোনোর আগেই দুই ওপেনার ফিরে যান। সেখান থেকে তৃতীয় উইকেটে নাকুল ইয়াদাভের সঙ্গে ২৭৬ রানের বিশাল জুটি গড়ে ইনিংসের ভিত গড়ে দেন রাজান। নাকুল আউট হন ১১৩ রান করে।
চতুর্থ উইকেটে শুব শার্মার সঙ্গে ৬৩ রানের জুটিতে মাত্র ২৫ বলে ৩৮ রান যোগ করেন রাজান। এরপর শুরু হয় রাজানের লড়াই। এই ব্যাটারের দাপটে প্রায় প্রতিটি আউটফিল্ডারকে দিয়ে বোলিং করাতে মেঘালয় দল বাধ্য হয়। কোনাইন কুরাইশির সঙ্গে ১৫৫ রানের জুটিতে রাজান করেন ৯৩ বলে ৯৬।
পরে নীতিন পান্ডের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ১৭৩ রানের জুটিতে তার ব্যাট থেকে আসে ৮৩ বলে ১১৩ রান। চারশো ছোঁয়ার পরই ইনিংস ঘোষণা করেন ঝাড়খান্ড।
৪০০ রানের এমন দুর্দান্ত ইনিংস খেলেও ইতিহাসের অংশ হতে পারেননি রাজান দীপ। এই টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ড এখনও ইয়াশভার্ধান দালালের দখলে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে হরিয়ানার হয়ে মুম্বাইয়ের বিপক্ষে তিনি খেলেছিলেন অপরাজিত ৪২৮ রানের ইনিংস।
