ধোনি বলেন, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত হবে সবচেয়ে ‘অপ্রতিরোদ্ধ’ দলগুলোর একটি। ভালো দল হতে যা যা দরকার, সবই এই দলে আছে। বিশেষ করে এই ফরম্যাটে তাদের অভিজ্ঞতা অসাধারণ। তারা চাপের মধ্যে খেলেছে। দলে যারা যে ভূমিকা পালন করছেন, সেই পরিস্থিতিতে তারা দীর্ঘদিন ধরে অভ্যস্ত।
৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তবে ধোনির উদ্বেগের অন্যতম কারণ ‘শিশির’। তিনি বলেন, যে বিষয়টা আমাকে চিন্তায় ফেলে তা হচ্ছে শিশির। আমি শিশির অপছন্দ করি। কারণ এটি অনেক কিছু বদলে দেয়। আমি যখন খেলতাম, তখনও শিশির আমাকে সবচেয়ে বেশি ভয় পাইয়ে দিত। তখন টসটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যেত।
ভারত ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আসন্ন বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ধোনি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটকে অনিশ্চিত হিসেবে দেখছেন। তার মতে, নিরপেক্ষ কন্ডিশনে যদি আমরা সেরা কিছু দলের বিপক্ষে ১০টা ম্যাচ খেলি, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমরা জয়ী হব। সমস্যা তখনই হয়, যখন আমাদের কয়েকজন খেলোয়াড়ের দিনটা খারাপ যায় আর প্রতিপক্ষের কেউ অসাধারণ একটি দিন কাটায়। টি-টোয়েন্টিতে এটা হতে পারে। সেটা লিগপর্বে হোক বা নকআউট পর্বে, তখন প্রার্থনার দরকার পড়ে। কেউ যেন চোট না পায়। যাদের যে ভূমিকা দেওয়া হয়েছে, সবাই যেন সেটি ঠিকমতো পালন করে। যদি সেটা হয়, আমি নজর লাগাতে চাই না, কিন্তু এই দলটি নিঃসন্দেহে সবচেয়ে বিপজ্জনক দলগুলোর একটি।
এবারের বিশ্বকাপে ভারত তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে। ‘এ’ গ্রুপে ভারতের অন্য প্রতিপক্ষ যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস এবং নামিবিয়া। ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার কথা থাকলেও পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ ম্যাচ বয়কট করেছে। তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বয়কটের কারণ জানায়নি।
পাকিস্তানের গণমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, আইসিসির পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ, বিশেষ করে বাংলাদেশের সঙ্গে করা বৈষম্যের সিদ্ধান্তই মূল কারণ। যদিও আইসিসি তাদের সিদ্ধান্ত বদলাতে চেষ্টা চালাচ্ছে।
ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে না রাজি হওয়ায় বাংলাদেশকে বাদ দেয় আইসিসি। বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রতি সংহতি দেখিয়ে প্রতিবাদ জানায় পিসিবি। পাকিস্তান সরকার ভারতের সঙ্গে ম্যাচটি না খেলার সিদ্ধান্ত নিলেও আইসিসির জন্য এটি ৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি লোকসানের কারণ হতে পারে।