জহিরুল ইসলাম মিশু,সিলেট ব্যুরো: সোমবার সিলেট স্টেডিয়ামে আজ রংপুর রাইডার্সকে হেসেখেলে ৬ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিক সিলেট টাইটানস। ১১৫ রানের লক্ষ্যে নেমে আক্রমণাত্মক শুরু করে সিলেট টাইটান্স। পাওয়ার প্লেতে (প্রথম ৬ ওভার) কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫৩ রান করে স্বাগতিকেরা।
রানের চাকা এরপর ধীর হতে থাকে। সপ্তম ওভারের চতুর্থ বলে রংপুরের চায়নাম্যান বোলার সুফিয়ান মুকিমকে স্লগ সুইপ করতে যান তৌফিক খান তুষার। এজ হওয়া বল প্রথম স্লিপে সহজেই তালুবন্দী করেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ২২ বলে ১ চার ও ৪ ছক্কায় ৩৩ রান করেন তুষার। ৫৪ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর ব্যাটিংয়ে নামেন আরিফুল ইসলাম। তবে বেশিক্ষণ উইকেটে স্থায়ী হতে পারেননি। ২৬ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় আরিফুল করেন ২১ রান।
১৩তম ওভারের প্রথম বলে আরিফুলকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন নাঈম হাসান। ৮৪ রানে ২ উইকেট হারানো সিলেটের খেলা দেখে মনে হচ্ছিল ৮ উইকেটে ম্যাচ জিতে যাবে দলটি। ১৭তম ওভারের পঞ্চম বলে নাহিদ রানাকে বাউন্ডারি মেরে শেষ করতে হয়েছিলেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। তবে টাইমিংয়ে গড়বড় হওয়া বল ডিপ মিড উইকেটে সহজে তালুবন্দী করেন মোহাম্মদ নবি। ১৮তম ওভারের তৃতীয় বলে ইফতেখার আহমেদকে ছক্কা মেরে খেলা শেষ করেন পারভেজ হোসেন ইমন। ৪১ বলে তিনটি করে চার ও ছক্কায় ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন ইমন।
টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সিলেট টাইটান্সের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। আগে ব্যাটিং পাওয়া রংপুর রাইডার্সের স্কোর এক পর্যায়ে ছিল ১৬.৩ ওভারে ৯ উইকেটে ৯৬ রান। ১০০ রানের আগে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হলেও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ সেটা হতে দেননি। সাত নম্বরে নেমে ২৩ বলে ৪ চারে করেন ২৯ রান। ২০তম ওভারের প্রথম বলে মাহমুদউল্লাহকে ফিরিয়ে রংপুর রাইডার্সের ইনিংসের ইতি টানেন সালমান ইরশাদ। ১৯.১ ওভারে ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় রংপুর।
রংপুরের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন খুশদিল শাহ। ২৪ বলের ইনিংসে মেরেছেন ৩ চার ও ১ ছক্কা। সিলেটের নাসুম আহমেদ, শহীদুল ইসলাম নিয়েছেন তিনটি করে উইকেট। নাসুম ৪ ওভারে ১৯ রানে পেয়েছেন ৩ উইকেট। কিপটে বোলিংয়ে মঈন আলী নিয়েছেন ২ উইকেট। ৪ ওভারে খরচ করেন ৮ রান। এক ওভার মেডেন দিয়েছেন। ম্যাচসেরা হয়েছেন নাসুম আহমেদ।
