সদ্য শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইট থেকে বিদায় নেয় পাকিস্তান। এরপর খেলোয়াড়দের ইনজুরি ও পারফরম্যান্স নিয়ে তীব্র সমালোচনার শুরু হয়।
বিশ্বকাপের পর বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতে সমালোচনা থেকে বাঁচতে পারত তারা। কিন্তু শাহিন শাহ আফ্রিদির নেতৃত্বাধীন দল সিরিজ হেরে গেছে ২-১ ব্যবধানে।
রবিবার (১৫ মার্চ) মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচে ১১ রানে হেরে পাকিস্তান সিরিজ হেরেছে।
এ নিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডেতে টানা সিরিজ জেতার নজির গড়ল বাংলাদেশ। সবশেষ ২০১৫ সালে একে অপরের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ-পাকিস্তান। সেবার পাকিস্তানকে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই করেছিল মাশরাফি বিন মুর্তজার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ।
পাকিস্তানের এমন পারফরম্যান্সের পরই নির্বাচকদের এক হাত নিয়েছেন দেশটির সাবেক ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি। দেশটির সাবেক অধিনায়ক সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ভিডিওতে তাদের জ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সাবেক এই তারকা অলরাউন্ডারের মতে, নির্বাচকদরা সমালোচনার যোগ্য।
আফ্রিদি বলেছেন, আপনারা ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স দেখেছেন। এখন আমরা বাংলাদেশ সিরিজও ২-১ ব্যবধানে হেরেছি। আমার মতে, নির্বাচক কমিটির সমালোচনা পাওনা। কমিটির সবাই এত ক্রিকেট খেলেছেন, তবুও মনে হয় না যে কোন ফরম্যাটে কাকে অধিনায়ক করা উচিত সে বিষয়ে আপনাদের পরিষ্কার ধারণা আছে।
এবার নতুন মুখ নিয়ে বাংলাদেশ সফরে এসেছিল পাকিস্তান। এই সিরিজের আগে আব্দুল সামাদ, মাজ সাদাকাত, গাজী ঘোরি, সাদ মাসুদ, সাহিবজাদা ফারহান এবং শামিল হুসেন কখনও ওয়ানডে খেলেননি। সাদ মাসুদ খেলেননি প্রথম শ্রেণির কোনো ম্যাচও। আফ্রিদি এমন ক্রিকেটারদের সুযোগ দিতে নারাজ।
তিনি বলেন, ‘আপনারা ‘সার্জারি’ নাম দিয়ে খুব বেশি সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। আপনারা এমন তরুণ খেলোয়াড়দের দলে নিচ্ছেন, যারা মাত্র কয়েকটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছে। আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটের মানও এমন নয় যে সেখান থেকে নিয়মিতভাবে এমন খেলোয়াড় তৈরি হবে, যারা সরাসরি পাকিস্তান দলে জায়গা নিশ্চিত করতে পারে।’
সাবেক এই অলরাউন্ডার আরও যোগ করেন, ‘যেসব সিনিয়র খেলোয়াড় দলে থাকার যোগ্য ছিল, যদিও টি-টোয়েন্টিতে তাদের পারফরম্যান্স খুব শক্তিশালী না, তাদের ওয়ানডেতে কিন্তু খুব ভালো রেকর্ড ছিল। কিন্তু সার্জারির নামে আপনারা সেই অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দেরও দূরে রাখছেন।’
