নাসিম রুমি: বয়স ৩৮ পেরিয়ে গেছে অনেক আগেই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের দেড় বছর হতে চলল। এখন কেবল ফ্র্যাঞ্চাইজি কিছু টুর্নামেন্টেই টিকে আছে মইন আলির ক্রিকেট ক্যারিয়ার। সেখানেও উঠতি ও তরুণ ক্রিকেটাররা তাকে থাকে দিকে, চেষ্টা করে তার কাছ থেকে শিখতে। কিন্তু সেই মইনই বলছেন, ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে এসেও শেখার তাড়নার শেষ নেই তার।
সেই তাড়নার ছাপ তার পারফরম্যান্সেও পড়ে নিয়মিতই। বিপিএলে গতকার শুক্রবার ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে সিলেট টাইটান্সের ৪ উইকেটের জয়ে অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ম্যান অব দা ম্যাচ তিনি।
ম্যাচের পরে তাকে জিজ্ঞেস করা হয় চেন্নাই সুপার কিংসে তার অভিজ্ঞতা নিয়ে। আইপিএলে তিনি খেলেছেন আট মৌসুমে, এর মধ্যে চারটি চেন্নাই সুপার কিংসে হয়ে। ভারতের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের সফলতম দল এটি। এই দলের নেতৃত্বে ও ব্যাটিংয়ে বছরের পর বছর অসাধারণ পারফরম্যান্সে কিংবদন্তি হয়ে উঠেছেন মাহেন্দ্র সিং ধোনি। এই দলের ভেতরের আবহ আর তাদের ক্রিকেটীয় সংস্কৃতি নিয়ে কৌতূহল আছে অনেকেরই।
চেন্নাইয়ের ড্রেসিং রুমের বিশেষত্ব আর বিপিএলের সঙ্গে ওসব লিগের পার্থক্য নিয়ে জানতে চাওয়া হয় মইনের কাছে। তিনি বললেন, চ্যালেঞ্জ খুঁজে পান তিনি এখানেও।
“যে কোনো ড্রেসিং রুমের মতোই, যেখানে সিনিয়র ক্রিকেটার, বিশ্বমানের ক্রিকেটাররা ছিল এবং চেষ্টা করেছি তাদের কাছ থেকে শেখার ও নিজের মতামত দেওয়ার। খুব একটা পার্থক্য নেই। সব ড্রেসিং রুমে নিজের মতো থাকার চেষ্টা থাকে। তবে আমি এখানে এখনও শিখছি।”
“বয়স ৩৮ হয়ে গেছে, তবে এখনও তরুণ ক্রিকেটারদের কাছ থেকে শিখতে পারি, সিনিয়রদের কাছ থেকেও। বাংলাদেশে এসে খেলাটা সহজ নয়। এজন্য এই কন্ডিশনে ব্যাটিং শিখতে আমি সবসময় ফিরে আসি এখানে।”
ব্যাট হাতে ৮ বলে ২৮ রানের ইনিংসের পর বোলিংয়ে চার ওভারে ২০ রানে দুই উইকেট নিয়ে তিনি ম্যান অব দা ম্যাচ হন। দলকে জিতিয়ে তার বাড়তি আনন্দ ছিল মূলত সিলেটের সমর্থকদের জন্যই।
“হ্যাঁ, অনেক বেশি ভালো অনুভূতি। কোনো দলের হয়ে খেললে এবং নিজেদের দর্শকদের সামনে খেললে তা দারুণ। আগে কুমিল্লার হয়ে খেলেছি, কখনও কুমিল্লাতে গিয়ে খেলা হয়নি। কাজেই সিলেট সমর্থকদের সামনে সিলেটে খেলতে পারা এবং এরকম পারফর্ম করতে পারা চমৎকার।”
“আমাদের জন্য দারুণ গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ছিল। জিততেই হতো। আমি খুশি যে, পারফর্ম করেছি ও দল জিতেছে।
