নাসিম রুমি: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) আবারও কপাল পুড়ল চট্টগ্রামের কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজির। আগে দুইবার ফাইনাল খেললেও শিরোপার মুখ দেখতে পারেনি শহরটির ফ্র্যাঞ্চাইজি। এবারও রানার্স আপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো। তাদেরকে গুঁড়িয়ে বিপিএলের চ্যাম্পিয়ন হলো রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
গতকাল মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রান করে রাজশাহী। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারের ১৩ বল বাকি থাকতেই ১১১ রানে অলআউট হয় চট্টগ্রাম।
১৭৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে এক শ রান করার আগেই ৬ উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। একমাত্র মির্জা বেগ বাদে কেউই বড় রান করতে পারেননি। বেগ ৩৬ বলে ৩৯ রান করে আউট হন। সেটিই হয়ে থাকে ইনিংসের সর্বোচ্চ। দুর্দান্ত বল করেন শ্রীলঙ্কার বিনুরা ফার্নান্দো। ৩ ওভারে মাত্র ৯ রান খরচায় ৪ উইকেট শিকার করেন তিনি।
এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহীকে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন দুই ওপেনার তামিম ও সাহিবজাদা ফারহান। একপাশে পাকিস্তানি তারকা ফারহান উইকেট আগলে রাখলেও শুরু থেকেই উইকেটে সাবলীল ছিলেন তামিম। উদ্বোধনী জুটিতে ৬২ বলে ৮৩ রান যোগ করার পর আউট হয়ে যান ফারহান (৩০ বলে ৩০)।
তবে কেন উইলিয়ামসনকে নিয়ে আরেক পাশে ব্যাটিং তাণ্ডব চালিয়ে যান তামিম। দ্বিতীয় উইকেটে ৫৭ রান যোগ করেন তারা। যেখানে ১৫ বলে উইলিয়ামসনের অবদান ২৪। ১৩০ রানে দলের দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে সাজঘরের পথ ধরেন উইলিয়ামসন। তামিম আউট হন দলীয় ১৬৩ রানের সময়। সেঞ্চুরি করেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরতে হয় তাকে। ৬২ বলে ৬টি চার ও ৭ ছক্কায় ১০০ রানের নান্দনিক এই ইনিংস খেলেন তিনি।
শেষদিকে অবশ্য রাজশাহীর রান খুব বেশি বাড়াতে পারেননি জেমস নিশাম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। ৬ বলে ৭ রান করে নিশাম অপরাজিত থাকলেও ৭ বলে ১১ রান করে শেষ বলে আউট হন শান্ত। তাতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রানে থামে রাজশাহী। চট্টগ্রামের হয়ে দুইটি করে উইকেট নেন মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ও শরিফুল ইসলাম। সমান ৪ ওভারে মুগ্ধ মাত্র ২০ রান দিলেও শরিফুল খরচ করেন ৩৩ রান।
