সজিব ভূঁইয়ার এমন হস্তক্ষেপের কারণে আজ (৭ এপ্রিল) বিসিবির সভাপতির চেয়ার হারাতে হলো জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে। এমনটাই মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।
বিসিবি নির্বাচন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ছিল না জানিয়ে ঢাকার ৫০ ক্লাব, জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার মনোনয়নবঞ্চিত বড় অংশ এবং সাবেক ক্রিকেটার, সার্ভিসেস, ইউনিভার্সিটির সমন্বয়ে গড়া ক্যাটাগরি- ৩ এর লিখিত অভিযোগ করে। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১১ মার্চ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) সাবেক বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে।
গত পরশু ৫ এপ্রিল তদন্ত কমিটি রিপোর্ট জমা দেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের সুপারিশও প্রদান করে। তারা বিসিবি পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও সুন্দর করতে গঠনতন্ত্র সংশোধনের প্রস্তাব দেয়। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আইসিসির কাছে পাঠানোর পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আজ (৭ এপ্রিল) মঙ্গলবার আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বিসিবির কমিটি ভেঙে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে ১১ জনের একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে এনএসসি।
আজ নতুন কমিটি দেওয়ার আগে ক্রীড়া পরিষদ কর্মকর্তা আমিনুল এহসান বলেছেন, ‘তদন্ত রিপোর্টে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার হস্তক্ষেপ খুঁজে পেয়েছে তদন্ত কমিটি। তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে চাপ দিয়েছেন তিনি। শেরাটন হোটেলে আসিফ মাহমুদ ও সাখাওয়াত হোসেন প্রভাবিত করেছেন ভোটারদেরকে পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার জন্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমিনুল ইসলাম বুলবুল একটা পক্ষ হিসেবে ১০ ক্রিকেটারকে মনোনয়ন দিয়ে সুবিধা নিয়েছেন, এই প্রমাণও পাওয়া গেছে। এই নির্বাচন অসম্পূর্ণ ও অনিয়মে ভরা হিসেবে দেখছে কমিটি।’
তার দাবি, ‘আমরা এই তদন্ত রিপোর্ট আইসিসিতে পাঠিয়েছি। আশা করি নির্বাচনে যেভাবে নিয়ম ভঙ্গ করা হয়েছে, সেগুলো বিবেচনা করে তারা নতুন কমিটিকে অনুমোদন দেবে।’