English

28 C
Dhaka
রবিবার, আগস্ট ১৪, ২০২২
- Advertisement -

দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ২০

- Advertisements -
Advertisements
Advertisements

নরসিংদীর রায়পুরায় আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকার দলীয় ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থিতদের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ২০ জন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার চরাঞ্চলের বাঁশগাড়ি ইউনিয়নের এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা ও নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, বর্তমানে বাঁশগাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ও একই ইউনিয়নের ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুল হক দ্বিতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী নির্বাচিত হন। তার বাবা প্রয়াত সিরাজুল হক ছিলেন বাঁশগাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি। পরে এনিয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা আপত্তি তোলেন। তারপরও বহান থাকে প্রতীক। সোমবার দুপুরে আশরাফুলের নেতৃত্বে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী রাতুল হাসান জাকির সমর্থিতদের ওপর প্রথমে হামলা চালানো হয়। পরে জাকির সমর্থিতরাও পাল্টা হামলা চালায়। এ সময় দুই গ্রুপের মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে।
জাকিরের পক্ষের আহতরা হলেন, উপজেলার বাঁশগাড়ি ইউনিয়নের রাজনগর এলাকার রবিউল ইসলামের দুই ছেলে ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি আবু সিদ্দিক জনি (২৫) ও ইকবাল হোসেন, আসাব উদ্দিনের ছেলে কাউছার আহমেদ, মোছলেম উদ্দিনের ছেলে লিটন মিয়া, মুজিবুর রহমানের ছেলে আলমগীর হোসেন, ফুল মিয়ার ছেলে আহমদ আলী।
অপরদিকে আশরাফুল পক্ষের আহতরা হলেন, একই ইউনিয়নের দিঘলীকান্দি এলাকার গাজীউর রহমানের ছেলে ও ইউপি সদস্য সেলিম মিয়া (৩৫), মৃত ওমর আলীর ছেলে ভূট্টো মিয়া (৪০), তার ছেলে মোতালিব (১৭), বটতলীকান্দি এলাকার মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে আবু সায়েদ (৩৩), নুরু মিয়ার ছেলে লাদেন মিয়া (১৬), বালুয়াকান্দি এলাকার হযরত আলীর ছেলে স্বপন মিয়া (৩২), মোতালিব মিয়ার ছেলে আব্বাস উদ্দিন (২০), চরমেঘনা এলাকার মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে সাদ্দাম (১৪) ও মির্জাচর ইউনিয়নের জামির হোসেনের ছেলে আমজাত হোসেন (২২)। বাকি আহত ব্যক্তিদের পরিচয় জানা যায়নি।
বাঁশগাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাসান আলী জানান, তার ছেলে রাতুল হাসান জাকির ইউপি নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছে। জাকির ও তার সমর্থিতরা আজ নরসিংদী কোর্টে বিভিন্ন মামলায় হাজিরা দিতে যায়। এ সুযোগে আমাদের লোকদের ওপর অস্ত্র নিয়ে হামলা ও বাড়িতে লুট করে আশরাফুলের নেতৃত্বে তার সমর্থিতরা।
তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগে দলীয় কোনো পদ না থাকার পরও আশরাফুল হক পেয়েছে দলীয় মনোনয়ন। নৌকা প্রতীক পেয়ে সে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এ নিয়ে অভিযোগ করেও কোনো সমাধান মেলেনি।
আশরাফুল পক্ষের ইউপি সদস্য আমির হোসেন বলেন, পরিকল্পিতভাবে জাকির, হারুন, সুমন ও তাহের আলীর নেতৃত্বে আমাদের লোকদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। এ ঘটনার পর ভয় ও আতংকে আছি।
এ বিষয়ে আশরাফুল হকের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।
রায়পুরা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) গোবিন্দ সরকার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় দু’পক্ষের কাউকে আটক করা যায়নি বলে জানান তিনি।

সাবস্ক্রাইব
Notify of
guest
0 মন্তব্য
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন