নওগাঁর পত্মীতলায় প্রতিমা রাণী (২৪) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার নজিপুর ইউনিয়নের উজিরপুর চৌধুরীপাড়া এলাকারে ওই গৃহবধূর নিজ বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। লাশটি উদ্ধারের পর পার্শ্ববর্তী এলাকার একটি শ্মশানঘাট থেকে ওই গৃহবধূর স্বামী প্রদীপ চৌধুরীকে (৩৭) আটক করেছে পুলিশ।
নিহতের পরিবার ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। এরই জেরে শুক্রবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে রুটি বানানোর বেলন দিয়ে স্ত্রীর কপালে আঘাত করেন প্রদীপ। সেই আঘাতে অচেতন অবস্থায় বিছানায় পড়ে যান গৃহবধূ প্রতিমা রাণী।
এ অবস্থায় স্ত্রীকে নিয়ে রাত্রীযাপনের পর সকালে প্রদীপ লক্ষ করেন প্রতিমা রাণী মারা গেছেন। তাৎক্ষণিক তিনি বাড়ি থেকে শ্বশান ঘাটে চলে যান। এর কিছুক্ষণ পর প্রতিমার মৃত্যুর বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা থানায় সংবাদ দেন। দাম্পত্য কলহের জেরে তার স্বামীর হাতে খুন হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পত্মীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, সংবাদ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে থানা পুলিশের একটি টিম পাঠিয়ে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, লাশ উদ্ধারের পর নিহতের পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রদীপ চৌধুরীকে আটক করা হয়েছে। প্রতিমা রাণীর বাবা নরেশ চৌধুরী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদের পর এই মামলায় প্রদীপ চৌধুরীকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হবে।
