English

26 C
Dhaka
বুধবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৪
- Advertisement -

চিকিৎসার সুবিধা বাড়ান: বাড়ছে শীতজনিত রোগব্যাধি

- Advertisements -
কয়েক দিন ধরেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। কুয়াশার কারণে সূর্যের দেখা মিলছে না। সেই সঙ্গে রয়েছে কনকনে ঠাণ্ডা বাতাস। ফলে শীতের অনুভূতি আরো প্রবল হয়েছে।
এমন অসহনীয় শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতজনিত রোগব্যাধি। সাধারণ সর্দিকাশি তো আছেই, সেই সঙ্গে আছে নিউমোনিয়া, অ্যাজমা, হাঁপানি, ব্রংকাইটিস, টনসিল ফুলে যাওয়া, কোল্ড ডায়রিয়াসহ শীতকালীন নানা রোগ। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে নবজাতক, শিশু ও বৃদ্ধরা। আক্রান্তদের মধ্যে শূন্য থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যাই বেশি।
রোগীর সংখ্যা এত বেশি যে হাসপাতালগুলোতে স্থান সংকুলান হচ্ছে না। কোনো কোনো হাসপাতালে ধারণক্ষমতার সাত-আট গুণ বেশি রোগী ভর্তি করা হচ্ছে। ফলে হাসপাতালের মেঝেতেও স্থান সংকুলান হচ্ছে না। চিকিৎসা দিতেও যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতের এ সময়টায়, বিশেষ করে নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত বৃষ্টি না থাকায় বাতাসে ধুলাবালির পরিমাণ বেড়ে যায়। তা ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে বায়ুদূষণও অনেক বেড়েছে। ফলে শ্বাসতন্ত্রের রোগ এমনিতেই তীব্র হচ্ছে। এর ওপর শীতের তীব্রতা বাড়ায় অসুস্থতার পরিমাণ দ্রুত বাড়ছে। শিশু ও বৃদ্ধদের শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কিছুটা কম হওয়ায় তারাই বেশি আক্রান্ত হয়।
প্রকাশিত খবরে বলা হয়, গত শনিবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ নিয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে নরসিংদী ও কিশোরগঞ্জ জেলায়। আর ডায়রিয়া রোগী বেশি ছিল কক্সবাজার, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নরসিংদী ও কুষ্টিয়া জেলায়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সারা দেশে শীতজনিত অসুস্থতায় তিন হাজার ১০১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়। এর মধ্যে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ নিয়ে ভর্তি হয় ৮৯০ জন।
আর ভাইরাল ডায়রিয়াজনিত কারণে ভর্তি হয় দুই হাজার ২১১ জন। চিকিৎসকরা বলছেন, ৫ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয়। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। ভর্তি রোগীদের মধ্যে শিশু ও বয়স্ক রোগীই প্রায় ৮০ শতাংশ।শীতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় দরিদ্র শ্রেণির মানুষ। অনেকেরই থাকার ভালো ঘর নেই। ভাঙা বেড়ার ঘরে শীতের কনকনে বাতাস ঢুকে পড়ে। গরম জামাকাপড়েরও অভাব রয়েছে। সেই সঙ্গে আছে পুষ্টির অভাব ও রক্তাল্পতা।

তাদের রক্ষায় গরম কাপড় বিতরণের মতো তাত্ক্ষণিক কিছু উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। হাসপাতালগুলোতে শীতকালীন রোগ ব্যবস্থাপনা ও সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে। শিশু ও বৃদ্ধদের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।

সাবস্ক্রাইব
Notify of
guest
0 মন্তব্য
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ

আল কোরআন ও আল হাদিস

- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন