English

21 C
Dhaka
শনিবার, ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৩
- Advertisement -

প্রযুক্তি শিক্ষার সুযোগ বাড়ান: ডিজিটাল অর্থনীতির সম্ভাবনা

- Advertisements -
Advertisements
Advertisements

গত দেড় দশকে অবকাঠামো খাতে বাংলাদেশে রীতিমতো বিপ্লব সাধিত হয়েছে। শুধু অবকাঠামো নয়, শিক্ষাসহ সমাজ-অর্থনীতির অন্যান্য দিকেও বাংলাদেশের অগ্রগতি বিশ্ববাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছে। তার ফলাফল নানাভাবেই প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতি এগোচ্ছে।

আগের দুই মাসে রপ্তানি কমলেও গত মাসে আবার তা কিছুটা বেড়েছে। বাংলাদেশের নতুন নতুন রপ্তানি পণ্যের পাশাপাশি নতুন বাজারও সৃষ্টি হচ্ছে। পণ্যের পাশাপাশি এগিয়ে যাচ্ছে সেবা খাতও। স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়ায় ডিজিটাল অর্থনীতিতেও দেশ দ্রুত এগোচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বোস্টন কনসাল্টিং গ্রুপের (বিসিজি) প্রতিবেদন অনুযায়ী অনলাইনে শ্রম দেওয়া দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ এখন দ্বিতীয়। বিশ্বের ফ্রিল্যান্সারদের ১৫ শতাংশই বাংলাদেশের। প্রথম স্থানে রয়েছে ভারত, সেখানে রয়েছে ফ্রিল্যান্সারদের ২৪.৮ শতাংশ। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের নারী উদ্যোক্তারাও ক্রমেই সাফল্যের পরিচয় দিচ্ছে। শুধু দেশে নয়, রপ্তানিতেও তাদের অবদান ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, সঠিক পরিকল্পনা, সমর্থন ও সহযোগিতা পেলে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা দেশের অর্থনীতিকে আরো অনেক দূর এগিয়ে নিতে সক্ষম।
অনলাইনে কাজের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। এ খাতের বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই চাহিদা ক্রমেই আরো বাড়বে। বাংলাদেশের তরুণরা এই খাতে বড় সাফল্যের পরিচয় দিতে পারার কারণ দেশে ডিজিটাল শিক্ষার অনেকটাই প্রসার ঘটেছে। স্যাটেলাইট, ফাইবার অপটিকের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়াটাও এ ক্ষেত্রে বড় প্রভাব ফেলেছে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন সাড়ে ছয় লাখ তরুণ ফ্রিল্যান্সার রয়েছে, যারা ঘরে বসেই সারা দুনিয়ায় কাজ করছে এবং বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করছে। আশার কথা, এই খাতে নারীর অংশগ্রহণও দ্রুত বাড়ছে। এ ছাড়া ডিজিটাল প্ল্যাটফরম উবার, পাঠাও, ট্রাক লাগবে ও ফুডপান্ডায় এ বছরই পাঁচ লাখ কাজের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাংলাদেশে  ফেসবুকভিত্তিক উদ্যোক্তাও রয়েছে ৫০ হাজারের বেশি। অন্যদিকে বাংলাদেশের সফটওয়্যারশিল্পের অগ্রগতিও ঈর্ষণীয়। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার ভিত্তিতে এগিয়ে যেতে পারলে খুব শিগগির ডিজিটাল অর্থনীতি থেকে বাংলাদেশ প্রতিবছর বহু বিলিয়ন ডলার উপার্জন করতে সক্ষম হবে।
এটা ঠিক, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে প্রযুক্তি শিক্ষার অনেক প্রসার হয়েছে। কিন্তু বিশ্ব যেভাবে প্রযুক্তিতে এগিয়ে চলেছে তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে আমাদেরও প্রযুক্তি শিক্ষায় আরো দ্রুত এগিয়ে যেতে হবে। প্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষিত লাখ লাখ তরুণ আজ নিজেরাই নিজেদের কর্মসংস্থান করে নিতে পারছে। এই ধারা আরো এগিয়ে নিতে হবে।
সাবস্ক্রাইব
Notify of
guest
0 মন্তব্য
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন