English

26 C
Dhaka
মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৪
- Advertisement -

যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিন: নির্বাচন ঘিরে সহিংসতার আশঙ্কা

- Advertisements -
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হয়ে গেছে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। এর পর থেকেই শুরু হযেছে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার। প্রতীক বরাদ্দ পেয়েই প্রার্থীরা ভোটের মাঠে প্রচারে নেমেছেন।নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীদের দলীয় প্রতীক দেওয়া হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয় লটারির মাধ্যমে।

বাংলাদেশে নির্বাচনকে ভোট উৎসব বলেই ধরা হয়। নির্বাচনের সময় এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সবারই প্রত্যাশিত।

প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকরা নানা আয়োজনে ভোট প্রার্থনায় নামে। পথসভা, কর্মিসভার আয়োজন করা হয়। বিশেষ করে সন্ধ্যা থেকে অনেক রাত পর্যন্ত পাড়া-মহল্লায় চলে নির্বাচনী প্রচার। প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে প্রার্থী এবং তাঁদের অনুসারীরা ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে বাদ্য বাজিয়ে অনেকেই মিছিল করেছে।
মিষ্টি বিতরণ করেছে। কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রতীক পাওয়ার পর শুরু হওয়া ভোটের প্রচার চলবে আগামী ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত।
এই উৎসবমুখর পরিবেশই আবার কখনো কখনো সংঘাত-সংঘর্ষে রূপ নেয়। ঘটে প্রাণহানির ঘটনা। যেমনটি এরই মধ্যে ঘটেছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।
প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে সংঘাত-সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।
গত সোমবার পিরোজপুর-১ আসনে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
কুমিল্লা-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়েছে। কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। আরো অন্তত ৫৫ এলাকায় এই ধরনের সংঘর্ষ হয়েছে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সারা দেশে ১২৫ আসনে সহিংসতার আশঙ্কা করছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। এসব এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কয়েক দশক ধরে দেশের মানুষ দেখে আসছে নির্বাচনের আগে অস্থিতিশীলতা, দ্বন্দ্ব-সংঘাত, হানাহানি বেড়ে যায়। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। অস্ত্রের ঝনঝনানি বেড়ে যায়। নির্বাচন ঘিরে সহিংসতার শঙ্কা বাড়ে।
দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিপক্ষের নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন ও ভাঙচুর অনেক সময় নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়ায়। নির্বাচনী প্রচারে হামলা করারও অভিযোগ ওঠে।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী বলছে, বর্তমান সময়ে যেসব সংঘাতের ঘটনা ঘটছে, তার পেছনে রয়েছে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করে জয়লাভের চেষ্টা, প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে আর্থিক ও পেশিশক্তির ব্যবহার এবং অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে কোণঠাসা করে রাখার চেষ্টা।
জবাবদিহিমূলক সরকার গঠনের পূর্বশর্ত হচ্ছে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবশ্যই অবাধ হতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।
জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতেই নির্ধারিত হয় জয়-পরাজয়। কাজেই জয়ের জন্য নির্বাচনের মাঠে অবতীর্ণ হলেও পরাজয় মেনে নেওয়ার মানসিকতা অবশ্যই সব দলের মধ্যে থাকতে হবে।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সহিংসতার আশঙ্কা দূর করতে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
সাবস্ক্রাইব
Notify of
guest
0 মন্তব্য
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন