কাগজে-কলমে হরিহর নদের দৈর্ঘ্য ৪৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ গড়ে ৭০ মিটার। এটি কপোতাক্ষ নদ থেকে উৎপত্তি হয়ে মণিরামপুর ও সদর উপজেলা হয়ে কেশবপুর উপজেলার আপারভদ্রা নদীতে গিয়ে পড়েছে। বর্তমানে নদীটির ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত অংশই দখল ও ভরাট হয়ে গেছে। প্রস্থও অনেক কমে গেছে। যেটুকু নদী অবশিষ্ট আছে সেটুকুও প্রভাবশালীরা পুকুর বানিয়ে নিজেদের দখলে নিয়েছে।
প্রতিবেদক দুই কিলোমিটার অংশ ঘুরে এ রকম অর্ধশতাধিক পুকুর দেখতে পেয়েছেন। স্থানীয়রা জানায়, নদী ভরাট এবং প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্ষায় তাঁরা দীর্ঘ জলাবদ্ধতার শিকার হচ্ছেন। অনেকের ধারণা, এভাবে চলতে থাকলে কয়েক বছরের মধ্যে নদীর অস্তিত্ব পুরোপুরি বিলীন হয়ে যাবে।
দখলদারদের দাবি, বন্দোবস্ত নিয়েই তাঁরা নদীর জমি ব্যবহার করছেন। অন্যদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানিয়েছে, ২০১৮ সালে নদীর সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। উজানে ১৫ কিলোমিটার খনন করা হয়েছে। বাকি অংশ খননের জন্য প্রকল্প দাখিল করা হয়েছে। খননপ্রক্রিয়া শুরু হলেই সব দখল উচ্ছেদ করা হবে।
