ঋতুস্রাব নিয়ে নাচ, মন্তব্যের পর কটাক্ষের শিকার আয়েশা
ভারতীয় সিনেমা ‘ধুরন্ধর’র প্রায় সব গানই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম আইটেম সং ‘শরারত’। কোটি কোটি মানুষ গানের ভিডিও দেখেছেন। তৈরি হয়েছে রিলের পর রিল।
আর এই গানের অন্যতম মুখ আয়েমা খানও জনপ্রিয়তা পেয়েছেন এই গানের জন্য।কিন্তু এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, ঋতুস্রাবের সময় শুটিং করতে হয়েছিল তাকে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায়, নাচতে নাচতে চোখে জলও চলে আসে।এই মন্তব্যের পরই আয়েশাকে প্রবল ট্রোলের শিকার হতে হয়েছিল বলে দাবি নায়িকার। এ বিষয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বলন, এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের যে, আজকাল সব কিছুই যেন মজা হয়ে দাঁড়িয়েছে।সাক্ষাৎকারে আয়েমা জানিয়েছিলেন, গানটির শুটিং হয়েছিল দু’দিন ধরে। যেহেতু সেই সময় তার পিরিয়ডস চলছিল তাই বাড়তি ক্লান্তি ও শারীরিক অস্বস্তি নিয়েই নাচতে হয়েছে। নাচতে নাচত শরীরে যন্ত্রণাও হচ্ছিল।ঋতুস্রাব চলাকালীন বাড়তি আবেগও ছিল। সব মিলিয়ে চোখে জলও চলে আসে তার। তবে আয়েষার মন্তব্য, ওই কান্না কিন্তু আনন্দাশ্রু।আর এই সাক্ষাৎকারের পরই আয়েমাকে ট্রোল হতে হচ্ছে। তৈরি হয়েছে অসংখ্য মিম। এক সংবাদমাধ্যমের সামনে মন্তব্য করার সময় এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় তাকে।অভিনেত্রী বলেছেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক যে আজকাল আপনি যা-ই করুন বা বলুন, সবকিছুই মজা, ডার্ক হিউমার। সবকিছু নিয়ে হাসতে পারাটা ভালো। কিন্তু যে কোনও কিছু নিয়েই হাসা মোটেও মজার নয়। আমি সম্ভবত এটা বুঝতেও পারিনি, কারণ বিষয়টা ছিল আমার কাছে খুবই স্বাভাবিক।প্রতি মাসে, আমরা এই চক্রের মধ্য দিয়ে যাই। পিরিয়ডের সময় আমরা অনেক কিছুই করি। অথচ আমার পিরিয়ডের বিষয়টা যেন জাতীয় মজা হয়ে গেল।তবে নিজেকে এ জন্য গর্বিত নারী মনে করছেন আয়েশা। তার কথায়, আমি একজন গর্বিত নারী। পিরিয়ড চলাকালীন যা যা করি তা নিয়ে আমি সত্যি সত্যি অত্যন্ত গর্বিত। কিন্তু নিজেকে ‘ব্যতিক্রম’ বলেও দাবি করছেন না বলে জানাচ্ছেন অভিনেত্রী।উল্লেখ্য, আগামী ১৯ মার্চ মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটির সিক্যুয়েল। যাকে ঘিরে এখন থেকেই তৈরি হয়েছে শোরগোল।