এ কে আজাদ: দ্বীন মোহাম্মদ। অভিনেতা। গুণি অভিনেতা দ্বীন মোহাম্মদকে আমরা ভুলে গেলেও, তিনি তাঁর অভিনয় গুণে এখনো অনেকের মানষপটে জাগ্রত আছেন। এইসব চলচ্চিত্র ও অভিনয় প্রেমিক মানুষগোলুর অবদান আমাদের চলচ্চিত্রশিল্পে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাদের সম্মানের সাথে স্মরণ করা আমাদের কর্তব্য বলে মনে করি। গুণি অভিনেতা দ্বীন মোহাম্মদ-এর মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তিনি ১৯৯০ সালের ১৬ মার্চ, ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। প্রয়াত অভিনেতা দীন মোহাম্মদ-এর প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।
তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।
দ্বীন মোহাম্মদ ১৯২১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, খুলনা জেলায়, জন্মগ্রহন করেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি ভাষা এবং সাহিত্যে এম.এ ডিগ্রী সম্পন্ন করেছেন।
১৯৪২ সালে কলকাতা বেতারে নাট্যশিল্পী হিসেবে কাজ শুরু করেন। দেশবিভাগের পর ঢাকায় এসে ‘ঢাকা বেতারে’ যোগ দেন নাট্য শিল্পী হিসেবে। পরবর্তিতে ঢাকা টেলিভিশনেও অভিনয় শুরু করেন । প্রচুর টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করেছেন দ্বীন মোহাম্মদ।
তিনি বহু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর অভিনীত ছবিগুলোর মধ্যে আছে- খেলা ঘর, মনের মতো বউ, দর্পচূর্ণ, শেষ পর্যন্ত, আপন পর, টাকা আনা পাই, সাধারণ মেয়ে, যে আগুনে পুড়ি, মানুষের মন, অবিঝ মন, সূর্যকন্যা, তালবেতাল, সোহাগ, মেহের বানু, ঘর সংসার, আরাধনা, মা ও মেয়ে, কেন এমন হয়, প্রিয়তমা, সেতু, বিজয়িনী সোনাভান, অপবাদ, আলোর মিছিল, বেঈমান, চোখের জলে, আলো তুমি আলেয়া, চাষীর মেয়ে, গুন্ডা, দোস্ত দুশমন, বধূ বিদায়, অনেক প্রেম অনেক জ্বালা, জয় পরাজয়, সারেং বৌ, মেহেরবানু, সোহাগ, তুফান, শাহজাদা, আসামী হাজির, জিঞ্জির, ঝুমুর, স্মাগলার, রাজবন্দী, নাগিন, নবাব, সময় কথা বলে, নবাবজাদী, সাথী, হিম্মতওয়ালী, নিষ্পাপ, অবদান, ছলনা, ইত্যাদি।
একজন ভালো অভিনেতা হিসেবে দ্বীন মোহাম্মদ স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
