নাসিম রুমি: সম্প্রতি একটি হাই প্রোফাইল পার্টিতে এক ব্যক্তিকে চড় মারার কথা জানিয়েছেন অক্ষয় কুমার। বিষয়টি এতটাই খারাপ হয়ে গিয়েছিল যে, লোকটি অজ্ঞান হয়ে পড়েছিল এবং অক্ষয় ভয় পেয়েছিল যে তাঁর কেরিয়ার বুঝি এখানেই শেষ হয়ে যেতে পারে।
‘হুইল অফ ফরচুন’-এর একটি বিশেষ পর্বে অক্ষয় কুমার এই উপাখ্যানটি উল্লেখ করেছিলেন, যেখানে তাঁর সঙ্গে ছিলেন ‘শার্ক ট্যাঙ্ক ইন্ডিয়া’র বিচারক অমন গুপ্তা, অনুপম মিত্তল এবং নমিতা থাপার। অমন গুপ্তা যখন তাকে তাঁর জীবনের ‘আশ্চর্যজনক অপমানজনক’ মুহূর্তের কথা জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তখন অক্ষয় এই পুরানো স্মৃতি শেয়ার করেছিলেন। অক্ষয় জানান, তিনি এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সঙ্গে একটি পার্টিতে গিয়েছিলেন, যেখানে এক অপরিচিত ব্যক্তি তাঁর বন্ধুকে গালিগালাজ করতে শুরু করেন।
অক্ষয় কুমার বলেন, ‘সে একবার আমার বন্ধুকে গালিগালাজ করেছিল, আমি তাঁকে বারণও করেছিলাম। তিনি আবার একই কাজ করলেন। আমি তাকে চার-পাঁচবার সতর্ক করেছিলাম, কিন্তু সে থামেনি। লোকটি আমার বন্ধুর জন্য খুব অশ্লীল এবং ব্যক্তিগত কথা ব্যবহার করছিলেন। আমার বন্ধু খুব আবেগপ্রবণ হয়ে কাঁদতে শুরু করে। আমি এটা সহ্য করতে পারছিলাম না এবং রাগে তাকে কষিয়ে চড় মারলাম।’
অক্ষয় কুমার জানান, চড় এতটাই জোরে ছিল যে লোকটি তৎক্ষণাৎ মাটিতে পড়ে যান এবং অজ্ঞান হয়ে যান। সেই মুহূর্তের কথা স্মরণ করে অক্ষয় বলেছিলেন যে তিনি ওই মুহূর্তে ভীষণ নার্ভাস হয়ে পড়েন। বলেন, ‘এটা অনেক বড় পার্টি ছিল। লোকটি অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার পর আমরা তার গায়ে জল ঢেলে দেই। আমি মনে মনে প্রার্থনা করছিলাম যে, তিনি কেবল তার জ্ঞান ফিরে পান। আমি ভয় পাচ্ছিলাম যে, যদি তাঁর কিছু হয়ে যায় তবে আমার ক্যারিয়ার ধ্বংস হয়ে যাবে।’ তবে কিছুক্ষণ পর ওই ব্যক্তি জ্ঞান ফিরে পান এবং অক্ষয় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন।
অক্ষয় কুমার বলেছেন যে, আজও তিনি তাঁর কাজের জন্য অনুশোচনা করেন এবং এটিকে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল বলে মনে করেন। তিনি বলেন, আজ যদি এমন পরিস্থিতি দেখা দেয় তবে তিনি শারীরিক আচরণ না করে চুপচাপ সেখান থেকে সরে যাওয়া পছন্দ করবেন। কাজের সূত্রে, অক্ষয়কে খুব শীঘ্রই দেখা যাবে প্রিয়দর্শনের ছবি ‘ভূত বাংলা’তে। এ ছাড়া পাইপলাইনে রয়েছে ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ ও ‘হেভেন’-এর মতো বড় বড় প্রজেক্টও।
