English

23.7 C
Dhaka
বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১, ২০২২
- Advertisement -

মুক্তি পেলেন পপ সঙ্গীত তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স

- Advertisements -
Advertisements
Advertisements

পিতা জেমস স্পিয়ার্সের অভিভাবকত্ব থেকে মুক্তি পেয়েছেন পপ সঙ্গীত তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স। গত ১৩ বছর তিনি তার পিতা জেমি স্পিয়ার্সের অভিভাবকত্বের অধীনে ছিলেন। মদে আসক্তসহ নানা অনিয়মে জড়িয়ে গিয়েছিলেন এই তারকা। ফলে আদালত তাকে তার পিতার অভিভাবকত্বে ছেড়ে দিয়েছিল। কিন্তু শুক্রবার সেই অভিভাবকত্ব বাতিল করে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যানজেলেসের একটি আদালত।
এ দিনটিকে ব্রিটনি স্পিয়ার্স তার জীবনের সেরা দিন বলে উল্লেখ করেছেন। মুক্তি পাওয়ার নির্দেশের পর ইন্সটাগ্রামে তার সাড়ে তিন কোটি অনুসারীকে বলেছেন, আনন্দে আমার কান্না আসছে। আদালতে শুনানির সময় লস অ্যানজেলেস কোর্টের সামনে সমবেত হয়েছিলেন তার বিপুল সংখ্যক সমর্থক, ভক্ত।
তারা জেমি স্পিয়ার্সের অধীনে ব্রিটনি স্পিয়ার্সের অভিভাবকত্বকে নির্যাতনমূলক বলে অভিহিত করেছেন। আদালতের এমন সিদ্ধান্তকে প্রয়োজনীয় বলে মন্তব্য করেছেন জেমি। তবে নিজের জীবনের নিয়ন্ত্রণ নিজে নেয়ার আগে আরেকবার ভাবা উচিত ছিল ব্রিটনির- এ মন্তব্যও করেছেন তিনি। তার আইনজীবীরা আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করে বলেছিলেন যে, ব্রিটনির জীবন ছিল বিশৃংখল। তিনি শারীরিক, মানসিক, ইমোশন এবং আর্থিক হতাশার মধ্যে ছিলেন।

এ অবস্থায় ব্রিটনির আর্থিক বিষয় দেখাশোনার জন্য তার অভিভাবককে ক্ষমতা দিয়েছিল আদালত। একই সঙ্গে তার ব্যক্তিগত জীবনে ক্যারিয়ার বিষয়ক সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতাও দেয়া হয়েছিল। এমনকি তিনি নিজের টিনেজ ছেলেদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন কিনা এবং তিনি আবার বিয়ে করতে পারবেন কিনা সে বিষয়ের কর্তৃত্বও দেয়া হয়েছিল অভিভাবককে।
উল্লেখ্য, ৩৯ বছর বয়সী ব্রিটনিকে ২০০৮ সালে তার পিতার অভিভাবকত্বে থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। এর বিরুদ্ধে ব্রিটনির পক্ষে আইনী লড়াই করেন ম্যাথিউ রোজেনগার্ট। তিনি আদালতের পুরো শুনানিকালে ব্রিটনির সাহসের প্রশংসা করেছেন। তিনি গর্ব করে বলেছেন, আদালতের এই নির্দেশের ফলে অভিভাবকত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে নিউ ইয়র্ক পর্যন্ত এক নতুন আলোর রেখা ছড়িয়ে পড়েছে। এই ধরনের অভিভাবকত্ব আর যেন কাউকে দেয়া হয় না।
সাবস্ক্রাইব
Notify of
guest
0 মন্তব্য
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন