শাহিদের অভিযোগ, সোহম তার থেকে ৬৮ লাখ টাকা ধার নিয়েছিলেন। ঋণের সামান্য অংশ ফেরত দিলেও বাকিটা দেওয়ার খবর নেই।
যদিও সোহম বলেছেন, হুমকি দেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা। টাকা ফেরত দেব একাধিকবার জানিয়েছি। নির্বাচনের আগে আমায় কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
শাহিদের কথায়, অভিনয়ের পাশাপাশি সেই সময় আমি তৃণমূল কংগ্রেসের যুবনেতা।
তিনি বলেন, সংশোধনাগারে থাকার ফলে আমি টাকা ফেরত চাইতে পারিনি। ২০২৩ সালে জামিন পাই। সংশোধনাগার থেকে বেরিয়ে যোগাযোগ করি সোহমের সঙ্গে।
শাহিদের কথায়, সেই সময় দুই দফায় মোট ২৫ লাখ টাকা তাকে ফেরত দিয়েছিলেন অভিযুক্ত। তার পরেই তিনি নীরব।
অভিযোগ, শাহিদ একাধিকবার পুরো টাকা ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানালেও তাতে নাকি কর্ণপাত করেননি সোহম। উল্টো অভিনেতার পক্ষ থেকে নাকি অভিযোগকারী হুমকি পেতে থাকেন!
এরপর দু’বছর অপেক্ষার পর বাধ্য হয়ে সোমবার করি চারু মার্কেট থানায় সোহমের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির মামলা দায়ের করেছেন শাহিদ।
অভিযুক্ত সোহম বিষয়টি নিয়ে বলেন, ২০২১ সালে ‘পাকা দেখা’ সিনেমার কারণে ৬৮ লাখ ঋণ নিয়েছিলাম শাহিদের থেকে। ওর আরও বেশি টাকা দেওয়ার কথা ছিল। পরে সেটা দেননি। তখন অন্যদের থেকে বাকি টাকা জোগাড় করি। এরপর ২৫ লাখ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। বাকি ৪৩ লাখ টাকাও মিটিয়ে দেব বারবার বলেছি। কয়েকটি সিনেমা আটকে আছে কিন্তু শাহিদ আমার অবস্থাটাই বুঝলেন না!
