২০২৬ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের পরে ব্যারাকপুরের সাবেক বিধায়ক নির্মাতা রাজ চক্রবর্তী জানিয়েছিলেন, তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকতে চান না। অন্যদিকে তৃণমূল সাংসদ দেব বলেছিলেন, রাজনীতিতে আর বেশি জড়াতে চাই না।
সহকর্মীদের মতো সায়ন্তিকাও কি এবার রাজনীতি করতে চান না? এমন প্রশ্নে কোনও মন্তব্য করতে রাজি নন অভিনেত্রী। তিনি যোগ করেন, আমি সরাসরি এমন কোনও মন্তব্য করতে চাই না। আগামী দিনে কী করব? এখন থেকে তো বলতে পারি না।
তবে অভিনয়ে মন দিতে চান সায়ন্তিকা। তার কথায়, আমার যে পেশা অভিনয়, সেটাতে মন দিতে চাই। তার জন্য প্রস্তুতি নিতে চাই। নিজের শারীরিক গঠন ঠিক করতে চাই। এই কয়েকটা বছর মন দিয়েছিলাম রাজনৈতিক কাজে। তাই শরীরচর্চায় অনেকটাই ফাঁক পড়েছে। আবার নিজেকে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর জন্য প্রস্তুত করতে চাই।
বরাহনগরের নতুন বিধায়ক সজল ঘোষকে কিছু বলতে চান না সায়ন্তিকা। জনমতে তিনি বিধায়ক হয়েছেন। তাই অভিনেত্রী আলাদা করে কিছু বলতে চান না।
সায়ন্তিকার বক্তব্য, জীবন তো থেমে যাবে না। এই পরাজয় মানে জীবন শেষ হয়ে গেল, সেটা তো নয়। আমার যে পেশা, যার সূত্রে আমার পরিচিতি- সেই দিকেই মন দিতে চাই।
