এ বিষয়ে পুরো সিনেমাটি দেখার কথা জানিয়েছিলেন বিচারপতি বেচু কুরিয়াস টমাস। কিন্তু মুক্তির আগে বিশেষ প্রদর্শনী করতে একেবারেই নারাজ ছিলেন নির্মাতারা।
ঠিক কী রয়েছে ‘কেরালা স্টোরি ২’-এর ঝলকে, যার জন্যে বিতর্কের জড়ালো সিনেমাটি? একাধিক ভয়ার্ত নারীর মুখের আড়ালে তুলে ধরা হয়েছে জোর করে ধর্মান্তরিতকরণের এক ভয়ঙ্কর কাহিনী। তারা কেউ সুরেখা নাইয়ার, নেহা সন্ত। নেপথ্য কণ্ঠে উল্লেখ, “আমাদের মেয়েরা প্রেমে পড়ে না, ফাঁদে পড়ে।
সেই মেয়েগুলোর কেউ চেয়েছিল আইএএস অফিসার হতে, কেউ চেয়েছিল নামী নৃত্যশিল্পী হয়ে সমাজে নিজের পরিচয় গড়ে তুলতে। কেউ আবার বলছেন, হিন্দু থেকে ইসলাম ধর্মাবলম্বী হয়েছিলেন শুধু ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে সুখের ঘর করবেন বলে। কিন্তু সেই সুখ আসলে ফানুস! তাদের সিংহভাগই বলপূর্বক ধর্মান্তরিতকরণের শিকার।
এমনকী টিজারেও উল্লেখ করা হয়েছিল যে, এ দেশকে মুসলিম অধ্যুষিত দেশ বানানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আর এ কারণেই ‘কেরালা স্টোরি ২’ সিনেমার বিরুদ্ধে প্রথমার্ধের মতোই সাম্প্রদায়িকতার অভিযোগ উঠেছে।
