এ কে আজাদ: নাজনীন। চিত্রনায়িকা-অভিনেত্রী। রোমান্টিক নায়িকা ও সহনায়িকা হিসেবে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ষাটের দশকে বেশ পরিচিত ও জনপ্রিয় ছিলেন নাজনীন। সত্তরদশকের শুরুতেই হঠাৎ চলচ্চিত্রজগত থেকে বিদায় নেন। ১৯৭৪ সালে, নায়ক আজিম পরিচালিত “টাকার খেলা” ছবির মাধ্যমে আবার ঢাকার চিত্রজগতে প্রত্যাবর্তন করলেও মাত্র কয়েক বছর অভিনয় করে আবার ঢাকার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে গুডবাই জানান এই অভিনেত্রী।
চিত্রনায়িকা-অভিনেত্রী নাজনীন এর সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তিনি ২০১৯ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী, মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। প্রয়াত এই অভিনেত্রী স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।
নাজনীন ১৯৪৪ সালে, নারায়ণগঞ্জ জেলায়, এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন নাজনীন। একসময় মঞ্চনাটকে অভিনয় শুরু করেন। নাটক করতে গিয়ে পরিচয় হয়- জয়তী, সীমা, আনোয়ার হোসেন, সুজাতা, তন্দ্রা ভট্টাচার্য, হাসান ইমাম প্রমুখদের সঙ্গে।
‘মুখ ও মুখোশ’ চলচ্চিত্রের অভিনেতা সোনা মিয়া ছিলেন নাজনীনের খালু। তাঁর হাত ধরেই চলচ্চিত্রে আসেন তিনি। নাজনীন অভিনীত চলচ্চিত্রের মধ্যে- শীত বিকেল, মালা, গোধূলীর প্রেম, এইতো জীবন, জানাজানি, পয়সে, সাতরং, ফির মিংলেগে হামদোনো, বেওয়াকুফ, সাগর, ক খ গ ঘ ঙ, এখানে আকাশ নীল, টাকার খেলা, কার হাসি কে হাসে, জীবন সাথী, দূর থেকে কাছে, বাজীমাত, লাল বেনারসী, কারণ, বন্ধন ও চোরের বউ অন্যতম উল্লেখযোগ্য ।
নাজনীন রেডিও এবং টেলিভিশনে নাট্যশিল্পী হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।
