বিশিষ্ট অভিনেত্রী মায়া ঘোষ এর সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

- Advertisements -

এ কে আজাদ: মায়া ঘোষ। অভিনেত্রী। একজন মঞ্চকর্মী-অভিনেত্রী মায়া ঘোষ আজীবন অভিনয় করে গেছেন মঞ্চে, টেলিভিশনে ও চলচ্চিত্রে। একজন ভালো অভিনেত্রী হিসেবে দর্শকদের কাছে সুপরিচিতি ছিল তাঁর, বিশেষ করে দুখিনী মায়ের চরিত্রে অনবদ্য এক অভিনেত্রী ছিলেন তিনি। আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন, তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।
বিশিষ্ট অভিনেত্রী মায়া ঘোষ-এর সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ । তিনি ২০১৯ সালের ১৯ মে, ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। প্রয়াত এই গুণি অভিনেত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি।

মায়া ঘোষ ১৯৪৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর, যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার প্রতাপকাঠি গ্রামে, জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম শংকর প্রসাদ গাঙ্গুলি।

Advertisements

মায়া ঘোষ ১৯৮১ সালে অভিনয় জগতে আসেন। তিনি নিয়মিত মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করে গেছেন। তাঁর অভিনীত চলচ্চিত্রের মধ্যে- পাতাল বিজয়,
আর পার (হিন্দি), কুসুমপুরের কদম আলী, চাপা ডাঙার বউ, শুভদা, জীবন ধারা, জ্বীনের বাদশাহ, পদ্মা নদীর মাঝি, মাস্তান রাজা, চোরের বউ, সাক্ষাৎ, কালিয়া, মেঘলা আকাশ, সন্তান যখন শক্র, স্বামী কেন আসামী, ডাক্তার বাড়ি, হিল্লা, নির্ত্তি (স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র), উল্লেখযোগ্য ।

ব্যক্তিজীবনে মায়া ঘোষ তাঁর জন্মস্থান মনিরামপুর উপজেলার মাছনা খানপুর গ্রামের দিলীপ ঘোষের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। দিলীপ ঘোষ ২০০২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তাদের তিন সন্তান রয়েছে।

মায়া ঘোষের ছেলে, দীপক ঘোষ এক সাক্ষাতকারে বলেছেন- “মা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় কলকাতার শরণার্থীশিবিরে মুক্তিযোদ্ধাদের রেঁধে খাওয়ানো’সহ সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধেও । তবে তাঁর সার্টিফিকেট ছিল না। এসব নিয়ে ভাবতেন না। বলতেন, দেশের প্রয়োজনে যুদ্ধ করেছি, সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য না।”

Advertisements

অভিনেত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মায়া ঘোষ অনন্তলোকে চির শান্তিতে থাকুন, এই কামনা করি।

The short URL of the present article is: https://www.nirapadnews.com/uaeo
Notify of
guest
0 মন্তব্য
সবচেয়ে পুরাতন
সবচেয়ে নতুন Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন